ট্রাম্পের নজরে ভেনেজুয়েলার বিপুল তৈল ভাণ্ডার। তা কবজা করার উদ্দেশেই সে দেশের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে ক্ষমতাচ্যুত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এনিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা সমালোচনা, নিন্দের মাঝে বরাবর সাবধানী ভূমিকায় দেখা গিয়েছে নয়াদিল্লিকে। এমনকী ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট পদে মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রডরিগেজ বসার পরও তেমন কোনও সাড়াশব্দ করেনি মোদি সরকার। এবার ডেলসির সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।মাদুরো পরবর্তী সময়ে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেশের প্রধানমন্ত্রীর এই আলাপচারিতা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
শুক্রবার রাতে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছেন মোদির। নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একথা জানিয়েছেন তিনি নিজেই। এও জানিয়েছেন, আগামী দিনে দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও বিস্তার লাভ করবেন এবং তা নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর তাঁরা।
শুক্রবার রাতে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছেন মোদির। নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একথা জানিয়েছেন তিনি নিজেই। এও জানিয়েছেন, আগামী দিনে দু'দেশের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর তাঁরা।
ভারত ও ভেনেজুয়েলার বাণিজ্যিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। আর তা মূলত তেলের ভিত্তিতেই। সে দেশে অপরিশোধিত তেলের অর্ধেকই রপ্তানি হতো ভারতে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে দ্বিতীয়বার ডোনাল্ড ট্রাম্প আসার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা থেকে তেল আমদানি নিয়ে তাঁর অসন্তোষের মুখে পড়ে নয়াদিল্লি। এছাড়া রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশগুলির উপর বিপুল শুল্ক চাপায় ট্রাম্প প্রশাসন। সেই তালিকায় ছিল ভারতও। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্য নিয়ে যে টানাপোড়েন চলছে বিভিন্ন শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে এবং ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মাঝে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টে ফোনে কথোপকথন নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বিশেষ আলোচ্য বিষয়।
