ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর দেশের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশী। গুরুভার কাঁধে ওঠার পর প্রথম বিবৃতি দিলেন নয়া শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর উপর আস্থা রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে জোশী বললেন, সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানেরও প্রশংসা করেছেন জোশী।
বর্তমানে কেন্দ্রের উপভোক্তা, খাদ্য ও গণবণ্টন বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন প্রহ্লাদ। শনিবার নয়া শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমি বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব গ্রহণ করছি। এই বিরাট দায়িত্বভার পাওয়ার যোগ্য হিসেবে আমাকে বিবেচনা করায় প্রধানমন্ত্রী মোদির কাছে আমি কৃতজ্ঞ।" পাশাপাশি ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "বিগত ১২ বছরে এই সরকারের নেতৃত্বে অনেক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত চার-পাঁচ বছরে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার কৃতিত্ব ধর্মেন্দ্র প্রধানেইর প্রাপ্য। নয়া শিক্ষা ব্যবস্থায় দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে আমি আমার দায়িত্ব পালন করব।''
ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, 'বিগত ১২ বছরে এই সরকারের নেতৃত্বে অনেক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গত চার-পাঁচ বছরে জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার কৃতিত্ব ধর্মেন্দ্র প্রধানেইর প্রাপ্য।'
ককরোচ জনতা পার্টি তথা জেন জি’র আন্দোলনের চাপে শনিবার সকালেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। সোশাল মিডিয়ায় তিনি জানান, ‘দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি।’ তাঁর দাবি, ‘ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।’ পরে এদিন বিকেলে রাষ্ট্রপতি সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করেছেন।
ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফাপত্র পাঠানোর পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ জরুরি বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকেই সম্ভবত প্রধানের উত্তরসূরি কে হবেন, তাই নিয়ে আলোচনা হয়। পরে বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীনের সঙ্গেও আলোচনা হয় শাহের। তারপরই ঠিক হয় দলের শীর্ষনেতৃত্বের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন প্রহ্লাদকেই আপাতত দায়িত্ব দেওয়া হবে। পরে মন্ত্রিসভার রদবদলের সময় স্থায়ী শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ করা হবে।
