shono
Advertisement
Rahul Gandhi

'বাবা, তোমার স্বপ্নের ভারত...', রাজীবের মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন রাহুল, শেয়ার করলেন অদেখা ছবিও

১৯৯১ সালের ২১ মে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে প্রাণ হারান রাজীব গান্ধী। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন রাজীব।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 02:41 PM May 21, 2026Updated: 02:41 PM May 21, 2026

৩৫ বছর আগে আজকের দিনেই আত্মঘাতী হামলায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। বাবার মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন বার্তা দিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সমাধিস্থলে গিয়ে কংগ্রেসের একাধিক নেতা শ্রদ্ধা জানান। গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও হাজির ছিলেন শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে।

Advertisement

দিল্লির বীর ভূমিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার বাবার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাহুল। সেই ছবি শেয়ার করেন এক্স হ্যান্ডেলে। একই সঙ্গে শেয়ার করেন অদেখা এক ছবি। সেখানে রাজীবের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে বালক রাহুলকে। পাশাপাশি দু'টি ছবি পোস্ট করে কংগ্রেস সাংসদের বার্তা, 'বাবা, তুমি এক দক্ষ,সমৃদ্ধ এবং শক্তিশালী ভারত গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলে। সেই স্বপ্নকে বাস্তব করার সমস্ত দায়িত্ব আমি নিজের কাঁধে তুলে নিলাম। তোমার শিক্ষা, মূল্যবোধ আর স্মৃতি আমার সঙ্গে সবসময়ে থাকবে।' উল্লেখ্য, বিশেষজ্ঞদের অনেকেই রাজীব গান্ধীকে আধুনিক ভারত গড়ার কারিগর বলে মনে করেন।

বৃহস্পতিবার রাহুলের পাশাপাশি সোনিয়া এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও। এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন বার্তা দিয়ে রাজীবের উক্তি মনে করিয়ে দেন খাড়গে। কংগ্রেসের তরফ থেকেও প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। বর্তমানে বিদেশ সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার মধ্যেও এক্স হ্যান্ডেলে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তিনি লেখেন, 'প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীজির মৃত্যুবার্ষিকীতে আমার শ্রদ্ধা জানাই।'

১৯৯১ সালের ২১ মে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে প্রাণ হারান রাজীব গান্ধী। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরে কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন রাজীব। সেখানে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জঙ্গি সংগঠন লিবারেশন টাইগারস অফ তামিল ইলম। এই ঘটনায় মোট সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। অভিযুক্ত ছিল মুরুগান, সান্থান, পেরারিভালান, জয়াকুমার, রবিচন্দ্রন, রবার্ট পায়াস ও নলিনী। প্রথমে এদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলেও পরে সাজা কমিয়ে যাবজ্জবীন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মূলত সোনিয়া গান্ধীর হস্তক্ষেপেই সাজা কমে তাদের। ৩৩ বছর জেলে থাকার পর মুক্তি পেয়ে যায় সকলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement