shono
Advertisement
Ram Mandir theft

রাম মন্দির চুরিতে উদ্ধার ৮০ লক্ষ! পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্তরা, 'রাঘব বোয়াল'দের নিয়ে প্রশ্ন

Published By: Subhajit MandalPosted: 12:26 PM Jun 27, 2026Updated: 01:43 PM Jun 27, 2026

কোটি কোটি টাকার চুরির অভিযোগ। কেউ বলছেন কয়েক'শো কোটি। কারও কারও দাবি অঙ্কটা হাজার কোটির ঘরে। অথচ চুরির অভিযোগে যে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হিসাব-বহির্ভূত মোটে ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তবে উদ্ধারকাজ এখনও চলছে। এখানেই প্রশ্ন, ওই কোটি কোটি টাকা চুরির বাকিটা গেল কোথায়?

Advertisement

শুক্রবার গ্রেপ্তার হওয়া আটজনকে অযোধ্যার বিশেষ আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তদের সোমবার পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। টিন্নু যাদব, লবকুশ মিশ্র, অনুকল্প শুক্লা, অবিনাশ শুক্ল, মণীশকুমার যাদব, করুণেশ পাণ্ডে, রামশঙ্কর মিশ্র এবং সুভাষ শ্রীবাস্তব। এই আট অভিযুক্তের বাড়িতেই এখনও তল্লাশি চলছে। পুলিশ সূত্র বলছে, এই আট অভিযুক্ত রাম মন্দিরের অনুদানের কয়েক কোটি টাকা সরিয়েছে। সিটের রিপোর্টে উঠে এসেছে, রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই বিপুল সম্পত্তির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ নগদ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷ প্রশ্ন হল, এই আট অভিযুক্ত যদি কয়েক কোটি টাকা সরিয়ে থাকে, তাহলে বাকি কোটি কোটি টাকা গেল কোথায়?

ইতিমধ্যেই রাম মন্দিরে চুরি কাণ্ডের জেরে পদত্যাগ করেছেন রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই। তদন্তে জানা গিয়েছে, চম্পতের প্রাক্তন গাড়িচালক টিন্নুর কাছে থাকত মন্দিরের দানবাক্সের চাবি। মন্দিরে তিনি রীতিমতো ছড়ি ঘোরাতেন বলেই অভিযোগ। অনুদান গোনার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন তিনি। অনুদান গোনার সঙ্গে জড়িত পিতাপুত্র রমাশংকর মিশ্র এবং অনুকল্প মিশ্রকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রমাশংকরের জামাই লবকুশ মিশ্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চুরি করা অর্থের বখরা করতেন তিনি। তাঁর বাড়ি থেকে বিপুল টাকা মিলেছে বলেও অভিযোগ। কিন্তু এঁদের কারও বাড়িতেই তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কিছু মেলেনি।

এখানেই প্রশ্ন রাঘব বোয়ালরা আড়ালে থেকে যাচ্ছেন না তো? কংগ্রেস নেতা রাজীব শুক্লার সাফ কথা, “এ পর্যন্ত যারা গ্রেপ্তার হয়েছে, তারা নিতান্তই চুনোপুঁটি। রাঘব বোয়ালরা এখনও আড়ালে। যে চুরির অঙ্কটা কয়েকশো কোটি ছাড়িয়ে কয়েক হাজার কোটির গণ্ডিতে, সেই চুরিতে বড় মাথারা জড়িত আছেই। তাঁদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিতেই হবে।” কংগ্রেস নেতার দাবি, দরকার পড়ল শীর্ষ আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করুক। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হোক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত, নিজে হস্তক্ষেপ করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement