সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আবারও যৌন নিগ্রহের বর্বর ঘটনায় লজ্জিত হল দেশ। তামিলনাডুর একটি মূক ও বধিরদের স্কুলে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের একাধিক ঘটনায় মঙ্গলবার ওই স্কুলের মালিক ও পাঁচ কর্মীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। জানা গিয়েছে, কোয়েম্বাটুরের সেম্মানদাম পালায়ামের ‘ত্রিপুর স্কুল ফর দ্য ডেফ’ স্কুলটিতে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। স্কুলটিতে প্রায় ২০০ জন মুক ও বধির পড়ুয়া রয়েছে। স্কুলটির মালিক সি মুরুগাস্বামী নিজেও একজন মূক ও বধির।
[রাজস্থানে ভেঙে পড়ল বিয়েবাড়ি, ৪ শিশু-সহ মৃত অন্তত ২৫]
গতসপ্তাহে স্কুলটির ডিরেক্টর অরুণ গান্ধী মুরুগাস্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহের অভিযোগ এনে পুলিশের দ্বারস্থ হন। তাঁর অভিযোগে অরুণ আরও জানিয়েছেন ঘটনাটি জানা সত্বেও স্কুলের পাঁচ কর্মী তা গোপন করে গিয়েছেন এবং কাউকে কিছু না জানিয়ে দিনের পর দিন ওই জঘন্য ঘটনা ঘটতে দিয়েছেন।
[জুন মাস থেকে Jio দেবে ৩ মাসের ‘ফ্রি’ পরিষেবা]
ওই অভিযোগের পরই গত মঙ্গলবার মুরুগাস্বামীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগপত্রে ওই ছাত্রী জানিয়েছে, ধর্ষণের জেরে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সে। তাকে জোর করে গর্ভপাতও করানো হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মুরুগাস্বামী-সহ ছয় জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬, ৩১৩, ১০৯ ও ৫০৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
[‘বাহুবলী’-কে হারাতে এবার আসছে ‘ছত্রপতি শিবাজি’]
স্কুলটিতে কর্মরত এক প্রাক্তন ছাত্রীর দাবি, মুরুগাস্বামী ছাত্রীদের টাকা ও অন্যান প্রলোভন দিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে যেত। সেখানে নিজের জামাকাপড় খুলে ছাত্রীদের চুমু খেতে বলত অভিযুক্ত। পর্ন ফিল্ম দেখিয়ে ওই ভাবে যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হতে ছাত্রীদের বাধ্য করত ধৃত স্কুল মালিক।বিষয়টি জানাজানি হলে প্রাণনাশের আশঙ্কায় মুখ বুজে থাকত নির্যাতিতারা। যদিও স্কুলের একাংশ শিক্ষক ও কর্মীদের দাবি, মুরুগাস্বামীর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। ওই ছাত্রীদের মেয়ের মতোই স্নেহ করেন তিনি। স্কুলের জমি নিয়ে চলা এক বিবাদের জেরেই কিছু প্রাক্তন ছাত্রীর সঙ্গে কয়েকজন লোক চক্রান্ত করে মুরুগাস্বামীকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।
[নৌসেরায় ফের তীব্র মর্টার বর্ষণ পাক সেনার, নিহত এক মহিলা]
