কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলা। তাই এই জায়গাটিকে সুন্দর রাখার প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার দিল্লিতে তিনি বলেছেন, ধর্মতলার শ্রী ফেরানোর জন্য আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করব। তাঁর বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই রাজ্য বিজেপি সভাপতির এহেন মন্তব্য যে ধর্মতলার শ্রী ফেরানোর সঙ্গে হকারদের বিষয়টি জড়িয়ে রয়েছে, তাতে নতুন মাত্রা যোগ করল। আবার দলের আরেক অংশের তরফে রেল কর্তৃপক্ষের কাছে হকার উচ্ছেদের বিষয়টি মানবিকভাবে বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সেই অনুরোধে কয়েকটি রেল স্টেশনে কাজ হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।
বিজেপির দাবি, ধর্মতলায় বহু প্রাচীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির মুখে পড়ছে। কারণ তাদের সামনের অংশ দখল করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবসা চলছে। সঙ্গে আরও অভিযোগ, তৃণমূল আমলে তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজের জেরেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তাই ধর্মতলা-সহ রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকা দ্রুত দখলমুক্ত করে যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। তবে হকারদের স্বার্থকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছে বিজেপি।
বিজেপির দাবি, ধর্মতলায় বহু প্রাচীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির মুখে পড়ছে। কারণ তাদের সামনের অংশ দখল করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবসা চলছে।
সূত্রের খবর, হকার উচ্ছেদ নিয়ে বিজেপির অন্দরে দ্বিমত রয়েছে। তাই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন ও সহায়তার ব্যবস্থা করার দাবিও উঠেছে দলের অন্দর থেকেই। দলের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতে পরিচয়পত্র প্রদান-সহ অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্রেও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আবার বিজেপির একাংশের দাবি, রেলের জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে ব্যবসা চলেছে। এ নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ একাধিকবার নোটিস দিলেও স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পুরসভার সহযোগিতা না পাওয়ায় কার্যকর পদক্ষেপ করা সম্ভব হয়নি। তবে রাজ্যে 'ডবল ইঞ্জিন' সরকার গঠনের পর রেলের জমি থেকে অবৈধ দখল সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, সারা দেশেই একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলছে এবং বহু অমৃত স্টেশনেও এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে।
