প্রথমবার বিহারের কুরসিতে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী। সম্রাট চৌধুরী (Samrat Choudhary) শপথ নেওয়ার পর এই মুহূর্তে দেশের ১৬টি রাজ্যে বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রীরা ক্ষমতায়। আরও একাধিক রাজ্যে এনডিএ জোটের শাসন রয়েছে। যা সম্মিলিত বিরোধীদের থেকেও অনেকটা বেশি।
কিন্তু বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকাতেও রয়েছে বিরোধীদের ছাপ। গেরুয়া শিবির যে ১৬ রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সেগুলির অধিকাংশেই মুখ্যমন্ত্রী পদে যারা রয়েছেন তাঁর অন্য দল থেকে আসা বা বিজেপি তথা সংঘের আদর্শের সঙ্গে একসময় সম্পৃক্ত ছিলেন না।
বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীদের তালিকা:
অরুণাচল প্রদেশ: পেমা খাণ্ডু
অসম: হিমন্ত বিশ্বশর্মা
বিহার: সম্রাট চৌধুরী
ছত্তিশগড়: বিষ্ণু দেও সাই
দিল্লি: রেখা গুপ্তা
গোয়া: প্রমোদ সাওয়ান্ত
গুজরাট: ভূপেন্দ্র প্যাটেল
হরিয়ানা: নয়াব সিং সাইনি
মধ্যপ্রদেশ: মোহন যাদব
মহারাষ্ট্র: দেবেন্দ্র ফড়ণবিস
মণিপুর: ইউমনাম খেমচাঁদ সিং
ওড়িশা: মোহনচরণ মাঝি
রাজস্থান: ভজনলাল শর্মা
ত্রিপুরা: মাণিক সাহা
উত্তরাখণ্ড: পুষ্কর সিং ধামি
উত্তরপ্রদেশ: যোগী আদিত্যনাথ
এই মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে অরুণাচল প্রদেশের পেমা খাণ্ডু কংগ্রেস থেকে আগত। ২০১৫ সালে গোটা মন্ত্রিসভা নিয়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। হিমন্ত বিশ্বশর্মার কংগ্রেসি অতীত সবার জানা। অসমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালও একসময় অসম গণপরিষদের সদস্য ছিলেন। মণিপুরের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিংও প্রাক্তন কংগ্রেসি। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহাও একসময় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে খাঁটি বিজেপি হলেও তাঁর ডেপুটি ব্রজেশ পাঠক একসময় কংগ্রেসি ছিলেন।
এই তালিকায় নবতম সংযোজন সম্রাট চৌধুরী। সম্রাট একটা সময় ছিলেন লালুর আরজেডিতে। পরে তিনি যোগ দেন নীতীশ কুমারের জেডিইউতে। সেখান থেকে তিনি যান জিতন রাম মাঝির হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চায়। তারপর বিজেপিতে যোগদান। ২০২৪ সালে তিনি প্রথমবার উপমুখ্যমন্ত্রী হন। এবার সরাসরি কুরসিতে।
