shono
Advertisement
Yogi Adityanath

টাটা মোটরসের ১০ লক্ষতম বৈদ্যুতিক বাসের উদ্বোধন করলেন যোগী আদিত্যনাথ

ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল লখনউ। টাটা মোটরসের কারখানা থেকে আজ পথ চলা শুরু করল ১০ লক্ষতম বাণিজ্যিক গাড়িটি। বুধবার সকালে কারখানায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সবুজ পতাকা নেড়ে এই গাড়ির যাত্রারম্ভ করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 01:38 PM Apr 15, 2026Updated: 04:33 PM Apr 15, 2026

ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইল লখনউ। টাটা মোটরসের কারখানা থেকে আজ পথ চলা শুরু করল ১০ লক্ষতম বাণিজ্যিক গাড়িটি। বুধবার সকালে কারখানায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সবুজ পতাকা নেড়ে এই গাড়ির যাত্রারম্ভ করেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। উত্তরপ্রদেশের শিল্পোন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহণ ব্যবস্থার ইতিহাসে এই দিনটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণ এবং রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। যে গাড়িটি আজ ১০ লক্ষের মাইলফলক ছুঁল, সেটি একটি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত ইলেকট্রিক বাস। লখনউয়ের এই কারখানাটি গত তিন দশক ধরে রাজ্যের কর্মসংস্থান ও শিল্প প্রসারের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। ১৯৯২ সালে পথ চলা শুরু করা এই কারখানায় বর্তমানে ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ কর্মরত। টাটা মোটরসের এই সাফল্যকে রাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির দিশারি হিসেবেই দেখছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরপ্রদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই পথে শিল্প বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নই সবথেকে বড় হাতিয়ার। টাটা মোটরসের এই অগ্রগতি সেই লক্ষ্যপূরণকে আরও ত্বরান্বিত করবে। এই মাইলফলক বিনিয়োগকারীদের কাছেও একটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে বলে তিনি মনে করেন। বিশেষত ২০৭০ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশকে 'নেট-জিরো' বা শূন্য কার্বন নিঃসরণকারী রাজ্যে পরিণত করার যে লক্ষ্যমাত্রা সরকার নিয়েছে, টাটার এই ইলেকট্রিক বাস উৎপাদন সেই দিশায় এক বড় পদক্ষেপ।

লখনউয়ের এই কারখানাটি শুধুমাত্র উৎপাদনের নিরিখে নয়, পরিবেশ রক্ষার ক্ষেত্রেও এক অনন্য উদাহরণ। এটি বর্তমানে ১০০ শতাংশ পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে চালিত একটি কেন্দ্র। এমনকী, জল সংরক্ষণের বিশেষ ব্যবস্থার কারণে একে 'ওয়াটার পজিটিভ' কারখানা হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে। সংস্থার নিজস্ব লক্ষ্য অনুযায়ী, ২০৪৫ সালের মধ্যে তারা সম্পূর্ণ কার্বনমুক্ত হওয়ার পথে এগোচ্ছে। 'কৌশল্যা' বা 'সক্ষম'-এর মতো কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার কাজও নিরন্তর চালিয়ে যাচ্ছে এই কারখানা। সব মিলিয়ে, উত্তরপ্রদেশের শিল্পায়নের মুকুটে আজ এক উজ্জ্বল পালক যোগ হল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement