shono
Advertisement
Share Market

মধ্যপ্রাচ্যে রণদুন্দুভি বাজতেই রক্তস্নাত দালাল স্ট্রিট, ১৭০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স, উধাও ৮ লক্ষ কোটি

বুধবার সকালে বাজার খোলার পরই ধস নামতে দেখা যায় বাজারে। সেনসেক্স পড়ে যায় ২০০০ পয়েন্টের বেশি। এরপর বেলা যত বাড়তে থাকে লাগাতার নিম্নমুখী হয় বাজার।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:05 PM Jul 08, 2026Updated: 04:47 PM Jul 08, 2026

প্রাথমিক যুদ্ধবিরতির হিসেব নিকেশ শিকেয় তুলে ফের সংঘাত শুরু হয়েছে আমেরিকা ও ইরানের। হরমুজে নৌ চলাচলে আবারও শঙ্কার মেঘ উঁকি দিতেই ধরাশায়ী হল দেশের শেয়ার বাজার (Share Market)। বুধবার বাজার খোলার পর ২০০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায় সেনসেক্স। দিন শেষে কিছুটা সামলে নিলেও ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়েছে বাজার। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। এই ঘটনার জেরে বাজার থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে বিনিয়োগকারীদের ৮ লক্ষ কোটি টাকা।

Advertisement

বুধবার সকালে বাজার খোলার পরই ধস নামতে দেখা যায় বাজারে। সেনসেক্স পড়ে যায় ২০০০ পয়েন্টের বেশি। এরপর বেলা যত বাড়তে থাকে লাগাতার নিম্নমুখী হয় বাজার। দিন শেষে বাজার কিছুটা সামলে নিলেও সেনসেক্স ১৬৭৭.১২ পয়েন্ট অর্থাৎ ২.১৫ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৬,৫০৩.৬০তে। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও। রিপোর্ট বলছে, এই সময়ে নিফটি ৫১৬.৬৫ পয়েন্ট অর্থাৎ ২.১২ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ২৩,৮৮২.০৫ তে। ব্যাঙ্ক নিফটিও নেমেছে ১,৪৫৮ পয়েন্ট। বর্তমানে ব্যাঙ্ক নিফটি দাঁড়িয়ে রয়েছে ৫৬,৭৪২.৬০তে।

দিন শেষে বাজার কিছুটা সামলে নিলেও সেনসেক্স ১৬৭৭.১২ পয়েন্ট অর্থাৎ ২.১৫ শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৬,৫০৩.৬০তে। পাল্লা দিয়ে নেমেছে নিফটিও।

গুরুতর এই অবস্থায় প্রায় সবকোটি সেক্টরেই পতন দেখা গিয়েছে। যে শেয়ারগুলিতে সবচেয়ে বেশি পতন দেখা গিয়েছে সেগুলি হল, জিও ফিন সার্ভিস (-৫.৩৮%), ইন্ডিগো (-৫.০২%), শ্রীরাম ফিনান্স (-৪.৯১%), ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (-৪.১৫%), মারুতি সুজুকি (-৪.০৪%)। এই খারাপ অবস্থার মাঝেই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে ওএনজিসি (+১.১৫%), লোধা (+১.১৪%), বাজাজ অটো (+০.৫৪%), আদানি এনার্জি সলিউশন (+০.২৭%)-এর মতো শেয়ারগুলি।

শেয়ার বাজারের এই দুর্দশার নেপথ্যে বেশ কতগুলি কারণ সামনে আসছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইরান-আমেরিকা শান্তিচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা। হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার পালটা হামলা শুরু কয়েছে ইরান। প্রত্যাঘাতে বুধবার ফের কুয়েত, বাহরিনের মতো দেশে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, বিশ্ববাজারে ইরানকে জ্বলানি বিক্রির ছাড়পত্র দিয়েছিল আমেরিকা। সংঘাতের জেরে তা প্রত্যাহার করায় হুড়মুড়িয়ে বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এছাড়া বিদেশি বিনিয়োগকারীরা গত কয়েকমাসে বিপুল টাকা তুলে নিয়েছে বাজার থেকে। বেলাগাম ভাবে পড়ছে টাকার দাম। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আশঙ্কার মেঘ দেখা দিয়েছে দালাল স্ট্রিটে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement