shono
Advertisement
Sonam Wangchuk

'২০ জুলাই পর্যন্ত বাঁচতেই হবে', সাফল্যের আগে মৃত্যু হলে 'ভূত' হয়ে ফিরতে চান সোনম

কথা বলার শক্তিটুকুও নেই। মেদক্ষয় হয়েছে, পেশিরও ক্ষয় হচ্ছে। চিকিৎসকরা শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনও সময় 'অর্গ্যান ফেলিওর' হতে পারে।
Published By: Subhajit MandalPosted: 12:35 PM Jul 17, 2026Updated: 02:40 PM Jul 17, 2026

দিল্লির যন্তরমন্তরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ পাঁচ দাবিতে অনশনে বসেছেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। দেখতে দেখতে সেই অনশন ২০ দিনে পা দিয়েছে। শরীর ভগ্ন। কথা বলার শক্তিটুকুও যেন নেই। মেদক্ষয় হয়েছে, পেশিরও ক্ষয় হচ্ছে। চিকিৎসকরা একপ্রকার জবাব দিয়ে দিয়েছেন। সরকারি চিকিৎসকরা শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর জানিয়ে দিয়েছেন যে কোনও সময় 'অর্গ্যান ফেলিওর' হতে পারে অর্থাৎ একাধিক অঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে সোনম ওয়াংচুকের।

Advertisement

অর্থাৎ পরিস্থিতি না বদলালে মৃত্যু অবধারিত। কিন্তু মৃত্যুকে সাক্ষাৎ দেখতে পেয়েও নিজের অবস্থানে অনড় সমাজকর্মী ও পরিবেশবিদ। অনশনের ২০ দিনের মাথায় দাঁড়িয়ে তিনি বলছেন, "যেভাবেই হোক আমি ২০ জুলাই পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চাই। যাতে আপনাদের সকলের সঙ্গে সংসদ পর্যন্ত অভিযানে শামিল হতে পারি। তারপরও যদি আমরা সাফল্য না পাই, তাহলে ভূত হয়ে ফিরে আসব।"

আসলে আগামী ২০ জুলাই সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। দেশজুড়ে ছাত্রছাত্রী অভিভাবকদের সেই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। সোনম ভগ্নপ্রায় শরীর নিয়েও সেই অভিযানে অংশ নিতে চান। কিন্তু তাঁর শরীরের যা অবস্থা আগামী ৩টে দিন তিনি বেঁচে থাকবেন তো? সে আশঙ্কাও দানা বেঁধেছে সমর্থকদের মনে। তা সত্ত্বেও অনড় ওই সমাজকর্মী। বেঁচে থেকে লড়তে চান তিনি। না পারলে 'ভূত' হয়ে আন্দোলন করার মতো বার্তাও দিয়েছেন। সোনম বলছেন, "আমাকে বাইরে থেকে দুর্বল মনে হচ্ছে। কিন্তু আমি ভিতর থেকে শক্ত। আপনারা ভিতর থেকেও শক্ত-বাইরে থেকেও। সেই শক্তি কাজে লাগবে। আমরা একসঙ্গে গিয়ে গণতন্ত্রের মন্দিরে নিজেদের কথা বলব।"

শুরুর দিকে সোনমের আন্দোলনে সেভাবে সাড়া না পড়লেও দিন দিন সমর্থন বাড়ছে। বিরোধী দলগুলিও তাঁর পাশে। ইতিমধ্যেই দিল্লি হাই কোর্ট কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে, "সব নাগরিকের জীবন মূল্যবান। তাই ওয়াংচুকের অনশন ভাঙাতে যা করার করতে হবে। কিন্তু তারপরও কেন্দ্র সেভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কার্যত নীরব মোদি সরকার।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement