চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি নিয়ে শীর্ষ আদালতে যোগ্যরা। তাঁদের আবেদন, যেহেতু এখনও নতুন নিয়োগ সম্পন্ন হয়নি, তাই তাঁদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। একই ধরনের আবেদন করেছিল রাজ্য সরকারও। দু'পক্ষের আর্জি শুনে আদালত জানিয়েছে যতদিন না মূল মামলার শুনানি হচ্ছে, ততদিন চাকরি বহাল থাকবে যোগ্যদের। তবে সম্ভবত ৩১ তারিখের আগেই হবে শুনানি।
তৃণমূল আমলে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছিল বাংলা। কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সেই মামলার জল গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। দীর্ঘদিন মামলা চলার পর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগে গতবছর এসএসসির ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি হারিয়েছেন ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এরপর পড়ুয়াদের কথা ভেবে প্রথমে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যোগ্যদের শিক্ষকতার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তবে ওই সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগ সম্পন্ন না হওয়ায় কাজের মেয়াদ বাড়িয়ে করা হয় ৩১ আগস্ট। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে ওই শূন্যপদে নিয়োগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
ক্যালেন্ডার বলছে, আগস্ট প্রায় শেষের পথে। কিন্তু এখনও সম্পন্ন হয়নি নিয়োগ প্রক্রিয়া। তাই এবার ফের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যোগ্যরা। একই আর্জি জানিয়েছে রাজ্যও। আদালতের নির্দেশ, যতদিন না মূল মামলার শুনানি হচ্ছে, ততদিন চাকরি বহাল থাকবে যোগ্যদের। তবে সম্ভবত ৩১ তারিখের আগেই হবে শুনানি।
