shono
Advertisement
Sharad Pawar

আসন পুনির্বিন্যাস বিল সমর্থন করবে শরদ পওয়ারের দল! NDA যোগ নিয়েও মুখ খুললেন সুপ্রিয়া সূলে

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিনের পরাজয়ে বহু আঞ্চলিক দলকেই আতান্তরে ফেলে দিয়েছে। সেই তালিকায় সর্বাগ্রে নাম শরদ পওয়ারের এনসিপি শরদচন্দ্র পওয়ারের দল।
Published By: Subhajit MandalPosted: 02:30 PM Jul 15, 2026Updated: 02:51 PM Jul 15, 2026

জাতীয় রাজনীতিতে ফের বড়সড় টানাপোড়েন। এবার কি কংগ্রেসের হাত ছেড়ে এনডিএ-তে শামিল হচ্ছেন শরদ পওয়ার (Sharad Pawar)? গত দু'দিন ধরে মহারাষ্ট্রে এমনই জল্পনা শোনা যাচ্ছে। যদিও শরদকন্যা সুপ্রিয়া সূলে এনডিএ-তে যোগের জল্পনা উড়িয়ে দিচ্ছেন। একই সঙ্গে অন্য একটি সম্ভাবনার রাস্তা খুলে দিচ্ছেন তিনি। সুপ্রিয়া সূলে ইঙ্গিত দিচ্ছেন, কিছু রদবদল করলে মোদি সরকারের আনা আসন পুনর্বিন্যাস আইন সমর্থন করতে পারে তাঁর সরকার।

Advertisement

সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তামিলনাড়ুতে স্ট্যালিনের পরাজয়ে বহু আঞ্চলিক দলকেই আতান্তরে ফেলে দিয়েছে। সেই তালিকায় সর্বাগ্রে নাম শরদ পওয়ারের এনসিপি শরদচন্দ্র পওয়ারের দল। শোনা যাচ্ছে, দলের বেশিরভাগ সাংসদ-বিধায়ক সরাসরি বিজেপির সঙ্গে হাত মেলাতে চান। আবার শরদ নিজে আজীবন কংগ্রেসি, তিনি চান কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যেতে। এসবের মধ্যে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে এবং মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের সঙ্গে কথা বলেন শরদ। মঙ্গলবার রাতেই দেবেন্দ্র ফড়ণবিসের সঙ্গে গোপনে বৈঠক হয় মারাঠা স্ট্রংম্যানের। তাহলে কি দলের সাংসদ-বিধায়কদের চাপে ঝুঁকে গেলেন পওয়ার? ওই বৈঠকের পর জল্পনা আরও জোরালো হয়।

সুপ্রিয়া সূলে। ফাইল ছবি।

বুধবার শরদকন্যা সুপ্রিয়া সূলে এনডিএ জোটে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিলেন। তিনি বলে গেলেন, "প্রচুর গুজব শুনছি। সূত্রের খবর বলে চালানো হচ্ছে। আমাদের দল কোথাও যাচ্ছে না। আমরা ইন্ডিয়া জোটেই আছি।" কিন্তু আসন পুনির্বিন্যাস বিলে সমর্থন করা নিয়ে বড়সড় ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সুপ্রিয়া সূলে বলছেন,"আগে বিলটা আসুক, তার আগে তো বলতে পারব না। কেন্দ্র যদি ৫০ শতাংশ আসন বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে জানায়, তাহলে ভেবে দেখতে পারি।" অর্থাৎ সব রাজ্যের আসন ৫০ শতাংশ বাড়বে, এটা যদি বিলে লিখিত আকারে জানায় কেন্দ্র, তাহলে শরদ পওয়ারের দল সেই বিলকে সমর্থন করতেও পারে, সেটা একপ্রকার স্পষ্ট করে দিলেন সুপ্রিয়া।

আসলে আসন পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতায় ক্ষেত্রে কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের মূল আপত্তির কারণ ছিল, উত্তর-দক্ষিণ সাম্য নিয়ে উদ্বেগ। বিরোধী শিবিরের দাবি ছিল, আসন পুনর্বিন্যাস পাশ হলে বেশি জনসংখ্যার অজুহাত দেখিয়ে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির আসনসংখ্যা বেশি বাড়বে, আর দক্ষিণের রাজ্যগুলি যেহেতু জনসংখ্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে, তাই দক্ষিণের রাজ্যগুলির আসন তুলনায় কম বাড়বে। যদিও আগেরবার সংসদে এই বিল পেশ করার সময় অমিত শাহ সাফ বলে দিয়েছিলেন, জনসংখ্যার ভিত্তিতে নয়, বরং লোকসভার আসন বাড়ানো হবে শতাংশের বিচারে। সব রাজ্যের এখন যা আসন রয়েছে, সেটার ৫০ শতাংশ আসন বাড়ানো হবে। কিন্তু বিলের খসড়ায় সেটা লিখিত আকারে ছিল না। এবার সেটাই লিখিত আকারে চান সুপ্রিয়া সূলেরা। শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রও সুর নরম করে সেটাতে রাজি হয়ে যেতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement