৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৈরি এই করোনা ত্রাণ তহবিল পিএম কেয়ার্সে এই মুহূর্তে এই বিশাল অঙ্কের অর্থই জমা রয়েছে। PM CARES তহবিলের অডিট রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনল মোদি সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের অডিট রিপোর্ট নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে PM CARES।
জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে পিএম কেয়ার্সে যা অর্থ জমা পরেছিল সেটার একটা বড় অংশ বিভিন্ন ত্রাণের ক্ষেত্রে খরচ হয়েছে। যে টাকা অবশিষ্ট ছিল সেটার প্রায় ৯৩ শতাংশ ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা হয়েছিল। বাকি সামান্য কিছু টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্টে গচ্ছিত রাখা হয়। ২০২৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সব মিলিয়ে ওই তহবিলে জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা ফিক্সড ডিপোজিটে রয়েছে।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ওই তহবিলে খরচের অঙ্কটা এখন অনেকটাই পড়তির দিকে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে গোটা তহবিল থেকে মাত্র ৮৭ লক্ষ ৮৫ হাজার টাকা খরচ করেছে সরকার। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল PM CARES থেকে DRDO বা NHAI-এর মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছিল। সেই টাকার মধ্যেও প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা খরচ হয়নি। সেগুলি আবার এই তহবিলেই ফিরে এসেছে।
করোনা আবহে ২০২০ সালের মার্চ মাসে পিএম কেয়ার তহবিল গঠন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । সেই সময় প্রধানমন্ত্রী বার্তা দেন, কোভিডের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই তহবিল তৈরি করা হচ্ছে। তহবিলের অর্থে বিপদে পড়া মানুষকে সাহায্য করা হবে। এর পর গোটা দেশের মানুষ পিএম কেয়ার ফান্ডে সাধ্যমতো সাহায্য শুরু করেন। দেশ-বিদেশের নাগরিক, বিভিন্ন সংস্থার তরফে প্রধানমন্ত্রীর এই তহবিলে টাকা জমাও পড়ে। দিনে দিনে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা পড়ে বলে জানা যায়। পরে সেই টাকা ব্যাঙ্কে বিনিয়োগও করে সরকার। সেই বিনিয়োগেই ওই তহবিলের জমার অঙ্ক এতটা বাড়াচ্ছে। যদিও পিএম কেয়ার্স ফান্ড থেকে এত কম টাকা খরচ কেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন মহল।
