shono
Advertisement

Breaking News

সংসদে তৃণমূল-কংগ্রেসের সমীকরণ প্রভাব ফেলবে বঙ্গ ভোটে! জল্পনা তুঙ্গে

বৃহত্তর জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষিতে তৃণমূলকে পাশে নিয়েই যে কংগ্রেস চলতে চাইছে, সেই বার্তা স্পষ্ট।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 08:57 AM Apr 19, 2026Updated: 08:57 AM Apr 19, 2026

সংসদের অন্দরে বদলে যাওয়া সমীকরণ কি বাংলার ভোট রাজনীতিতেও নতুন বার্তা দিচ্ছে? সংবিধান সংশোধনী বিল লোকসভায় ভেস্তে যাওয়ার পর থেকেই কংগ্রেস-তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।শুক্রবার, লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল মুখ খুবড়ে পড়ার পরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন এবং দীর্ঘ বার্তালাপের পর থেকেই এনিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার তাতে সিলমোহর পড়েছে বলা চলে।

Advertisement

কংগ্রেস সূত্রে খবর, সোনিয়া গান্ধী ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ধন্যবাদ জানান। তবে তৃণমূলের তরফে এনিয়ে কেউ মুখ খোলেনি। এদিন সকালে সংসদের অন্দরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের ঘরে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়ান ও লোকসভার মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে যেভাবে সমাদর করা হয়েছে, তাতে বৃহত্তর জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষিতে তৃণমূলকে পাশে নিয়েই যে কংগ্রেস চলতে চাইছে, সেই বার্তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

সূত্রের খবর, বৈঠকের শুরুতেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী 'সবাই এত চুপ কেন' বলে মন্তব্য করতেই পাশের আসন থেকে 'হ্যাঁ, আমরা হারিয়ে দিয়েছি' বলে হাততালি দিয়ে ওঠেন ডেরেক। তাতে বাকিরাও হাততালি দেওয়া শুরু করেন। তারপরেই ডেরেক বলেন, "এখন আমরা সবাই মিলে যে মুহূর্তটা উপভোগ করছি সেটা চ্যাপ্টার ওয়ান। ৪ মে বাংলা ও তামিলনাডুর নির্বাচনে জেতার পরে চ্যাপ্টার দুই ও আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে জেতার পরে চ্যাপ্টার তিন আসবে।" সোনিয়া-সহ ডেরেকের আরেক পাশে বসে থাকা প্রিয়াঙ্কা-সহ সকলেই তাতে জোর গলায় সায় দেন।

এদিনের বৈঠকে ইন্ডিয়া জোটের সবাই মিলে সাংবাদিক বৈঠক করার কথা বলা হলেও ডেরেক প্রস্তাব দেন, বিভিন্ন দল নিজের মতো করে করুক। সকলেই তাতে রাজি হন। তাৎপর্যপূর্ণ, বৈঠকে তৃণমূলের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়-পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস যদি তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ শানায়, তবে তার ফায়দা তুলবে বিজেপি। ফলে রাজ্যে এসে কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতারা শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর নরম রাখতে পারেন, এমন জল্পনা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সমীকরণ টিকে থাকলে ২০২৬-এর বাংলা বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী রাজনীতির চেহারাই বদলে যেতে পারে। বিজেপি-বিরোধী ভোট একত্রিত করার লক্ষ্যে কংগ্রেস-তৃণমূলের এই 'সমঝোতা' বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement