shono
Advertisement
Yasin Malik

'আমাকে ফাঁসি দিন', কাশ্মীরি পণ্ডিত নার্সের হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর হলফনামা ইয়াসিন মালিকের

১৯৯০ সালের ১২ এপ্রিল রাতে শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর নার্স সরলা ভট্টকে ধর্ষণের পর গুলি করে হত্যা করা হয়। অভিযোগ, ইয়াসিনের সঙ্গীরাই একটি গাড়িতে করে সরলাকে অপহরণ করেছিল।
Published By: Kishore GhoshPosted: 07:41 PM Sep 03, 2026Updated: 07:41 PM Sep 03, 2026

নিজেই মৃত্যুদণ্ড চাইলেন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন জম্মু কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (জেকেএলএফ)-এর নেতা ইয়াসিন মালিক। সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও অর্থ পাচারের মামলায় বর্তমানে দিল্লির তিহার জেলে যাবজ্জীবন সাজা খাটছেন তিনি। এছাড়াও ১৯৯০ সালে কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের নার্স সরলা ভট্টকে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও বুধবার শ্রীনগরের বিশেষ আদালতে ২৫ পাতার হলফনামা দিয়ে ইয়াসিন দাবি করেছেন, ওই হত্যাকাণ্ডে তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। ফলে মামলাও লড়বেন না। 'আমাকে ফাঁসির সাজা দিন', হলনাফায় বলেছেন অভিযুক্ত।

Advertisement

নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় পাকিস্তানি মদতপুষ্ট জঙ্গি ও দুষ্কৃতীদের হিংসার শিকার হয়ে কাশ্মীর উপত্যকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন কাশ্মীরি পণ্ডিতেরা। শুধু নব্বই সালেই ১০৩ জন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে হত্যা করা হয়। ওই সময়েই নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন শ্রীনগরের শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর নার্স সরলা ভট্ট। ১৯৯০ সালের ১২ এপ্রিল রাতে তাঁকে অপহরণ করে আটকে রেখে নৃশংস শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণ করা হয়েছিল। এর পরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

সরলা হত্যাকাণ্ডের ৩৫ বছর পরে গত বছরের অগস্টে নতুন করে তদন্ত শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীরের গোয়েন্দা সংস্থা ‘স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি’ (এসআইএ)। গত জুনে শ্রীনগরের আদালতে ৭৩৭ পাতার চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারীরা। যেখানে বলা হয়েছে, মূল চক্রান্তকারী ইয়াসিনের সঙ্গীরাই একটি গাড়িতে করে সরলাকে অপহরণ করে। ওই মামলাতে বৃহস্পতিবার হলফনামা জমা দিয়েছেন ইয়াসিন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন, “১৯৯০ সালের এপ্রিলের ওই সময়ে আমি গুরুতর আহত ছিলাম। অচেতন অবস্থায় ছিলাম। আমার চিকিৎসা চলছিল। ফলে প্রতিশোধ নিতে সরলা ভট্টকে খুনের নির্দেশ দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

এইসঙ্গে ইয়াসিন লিখেছেন, “ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে, অনেক চিন্তাভাবনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করব না। আমাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক। তবে আমার এই সিদ্ধান্তের জন্য যেন এটা ধরে না নেওয়া হয় যে আমি দোষস্বীকার করছি।” জেলবন্দি ওই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার দাবি, তাঁকে এই মামলায় ‘মিথ্যা ভাবে ফাঁসানো’ হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার প্রতি কোনও অভিযোগ নেই বলেও জানিয়েছেন ইয়াসিন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement