সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক যেন সত্তরের দশকের কোনও বলিউডি সিনেমা। ২০ বছর পর বাবার খুনের বদলা নিল ছেলে। প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি করে খুন করল বাবার খুনিকে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিয়ানার গুরুগ্রামে।
[যুব কর্মী হলে বিজেপিতে ৪০-এ ‘অবসর’, টার্গেট নতুন প্রজন্ম]
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে নিজের গাড়িতে চেপে গুরুগ্রামে বাদশাপুরে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন পেশায় ব্যবসায়ী রাজকুমার ওরফে রাজু। মাঝরাস্তা থেকে একটি কালো গাড়িতে করে তাঁকে অনুসরণ করতে শুরু করে একদল দুষ্কৃতী। বিষয়টি টের পাওয়ার পরই গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন রাজকুমার। কিন্তু, তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তা পাশে একটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে যায় দুষ্কৃতীরা। রাজকুমারকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি রাউন্ড গুলি চালায় তারা। কোনওমতে একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন রাজকুমার। কিন্তু, দুষ্কৃতীরা সেখান তাঁকে বের করে এনে ফের গুলি চালাতে শুরু করে। ঘটনাস্থলেই মারা যান রাজকুমার। ঘটনায় বাদশাপুরেরই বাসিন্দা দীপক নামে এক যুবক-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মৃত রাজকুমারের বাবা হংসরাজ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, বছর কুড়ি বাদশাপুরে নিজের বাড়িতেই খুন হয়েছিলেন মূল অভিযুক্ত দীপকের বাবা ব্রহ্ম প্রকাশ। সেই খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল রাজকুমার ওরফে রাজু। তিন মাস সংশোধানাগারেও ছিলেন তিনি। পরে দুই পরিবার বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ায় রাজকুমারকে মুক্তি দেয় আদালত।
[অপ্রীতিকর কোনও প্রশ্ন নয়, কেজরিকে নির্দেশ দিল্লি হাই কোর্টের]
কিন্তু, বাবার খুনের ঘটনাটি মেনে নিতে পারেনি দীপক। খুনিকে চরম শাস্তি দিতে চেয়েছিল সে। তাই রীতিমতো পরিকল্পনা করে রাজকুমারকে খুন করেছে দীপক। তবে দীপক-সহ বাকি অভিযুক্তরা সকলেই পলাতক। ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন পুলিশ আধিকারিকরা। গুরুগ্রামের পুলিশ কমিশনার সন্দীপ খেরওয়ার জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের ধরতে তিনটি দল গঠন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এলাকার দুষ্কৃতী বলেই পরিচিত ছিল দীপক। তার বিরুদ্ধে খুন-সহ একাধিক মামলা রয়েছে। এক মাস আগেই একটি খুনের মামলায় সংশোধানাগার থেকে ছাড়া পায় দীপক।
[গুজরাটে ৫০০ কোটি এবং অসমে শূন্য, বন্যাত্রাণ নিয়ে প্রশ্নের মুখে মোদি]
The post ২০ বছর পর বাবার হত্যার বদলা, প্রকাশ্যে খুনিকে গুলি করে মারল ছেলে appeared first on Sangbad Pratidin.
