shono
Advertisement

আইপিএলের সেরা প্রাপ্তি! দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নজর কাড়লেন এই ১০ তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার

আগামী দিনের তারকা হওয়ার পথে কারা? দেখে নিন তালিকা।
Posted: 05:28 PM Nov 08, 2020Updated: 05:28 PM Nov 08, 2020

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আইপিএল (IPL) হল সেই টুর্নামেন্ট যেখানে প্রতিভা উপযুক্ত মঞ্চ খুঁজে পায়। আর সেই মঞ্চে প্রতিবারই জ্বলে ওঠেন কোনও না কোনও তরুণ তুর্কি। এদের অনেকেই নিজেদের প্রথম সারির তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এই মরশুমে কারা সেই তারকা, যারা ভবিষ্যতে নিজেদের প্রথম সারির তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন? চলুন দেখা যাক সেই তালিকা।

Advertisement

১। ঈশান কিষান(মুম্বই ইন্ডিয়ান্স): ২০১৮ টি-২০ বিশ্বকাপ দলের অধিনায়ক। এবারের আইপিএলে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন পকেট ডাইনামাইট হিসেবে। ১৩ ম্যাচে তাঁর রানসংখ্যা ৪৮৩। গড় ৫৫, স্ট্রাইক রেট ১৪৪.৭।

২। দেবদত্ত পাড়িক্কল(রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর): এবারের আইপিএলের সেরা খোঁজ এই বাঁহাতি ওপেনার। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের (RCB) সর্বোচ্চ স্কোরার। তাঁর সংগ্রহ ৪৭৩ রান। স্ট্রাইক রেট ১২৪.৮। হ্যাঁ সেই দলের, যে দলে বিরাট কোহলি, এ বি ডিভিলিয়ার্সরা আছেন। আগামী দিনে নজর থাকবে দেবদত্তর দিকে।

৩। শুভমন গিল (কলকাতা নাইট রাইডার্স): না এবারের আইপিএলে নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করেননি। বড় ইনিংস আসেনি সেভাবে। তবু শুভমন (Shubhman Gill) এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন নিজের ধারাবাহিকতা আর প্রতিভার বিচ্ছুরণের জন্য। এবারের আইপিএলে তাঁর সংগ্রহ ৪৪০ রান। স্ট্রাইক রেট ১১৭.৯৬।

৪। ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (চেন্নাই সুপার কিংস): চেন্নাই সুপার কিংসের (CSK) এই আইপিএলে একটাই প্রাপ্তি। সেটা হলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ধোনিদের দুঃস্বপ্নের বছরের উজ্বল তারা। টুর্নামেন্টের শুরুতে কোভিড আক্রান্ত হন। তবু শেষ তিন ম্যাচে তিনি প্রায় একার হাতে জিতিয়েছেন দলকে। মাত্র ৬ ম্যাচে তাঁর রান ২০৪।

৫। রাহুল চাহার(মুম্বই ইন্ডিয়ান্স): টুর্নামেন্টের শুরুতে অনেকেই ভেবেছিলেন মুম্বইয়ের স্পিন বিভাগ একমাত্র দুর্বলতার জায়গা। কিন্তু রাহুল চাহার তাঁদের ভুল প্রমাণ করলেন। এখনও অবধি টুর্নামেন্টে ১৫টি উইকেট পেয়েছেন এই তরুণ অফস্পিনার। ওভার পিছু রানের গড় মাত্র ৮.১৬।

৬। আবদুল সামাদ (সানরাইজার্স হায়দরাবাদ): না পরিসংখ্যান সবসময় সত্যি বলে না। আইপিএলে কাশ্মীরের তরুণ অল-রাউন্ডার আবদুল সামাদের পরিসংখ্যান একেবারেই নজরকাড়া নয়। কিন্তু ব্যাট হোক, কিম্বা বল। যখনই সুযোগ পেয়েছেন সামাদ দেখিয়ে দিয়েছেন, তাঁর মধ্যে সবরকম রসদ আছে। অনায়াসে বাউন্ডারি পার করার ক্ষমতা তিনি রাখেন। আবার বোলিংয়েও ক্যাপ্টেনের জন্য উপযোগী ভূমিকা নিতে পারেন।


৭। ওয়াশিংটন সুন্দর (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর): বেশ পরিচিত নাম। তবে এবারের আইপিএলে নতুন করে নিজেকে আবিষ্কার করেছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। নিয়মিত বোলিং করেছেন পাওয়ার-প্লে বা চাপের সময়। অথচ ইকোনমি রেট ৬-এরও কম। মাত্র ৫.৯৬। সেই সঙ্গে ৬টি উইকেটও পেয়েছেন। সেই সঙ্গে প্রয়োজনে ব্যাট হাতেও লম্বা ছক্কা হাঁকাতে পারেন তিনি।

৮। রবি বিষ্ণোই(কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব): গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রথম নজরে আসেন। আশা ছিল আইপিএলে নিজেকে মেলে ধরলেন। করলেনও সেটাই। ১৪ ম্যাচে ১৪ উইকেট। ইকনোমি রেট মাত্র ৭.৩৭। পাঞ্জাবের অধিনায়কের অন্যতম ভরসা ছিলেন বিষ্ণোই।

৯। টি নটরাজন (সানরাইজার্স হায়দরাবাদ): ভুবনেশ্বর কুমারের চোটের পর সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH) কর্তারা তখন দিশেহারা। সে অর্থে নামী কোনও ভারতীয় তারকা দলে ছিলেন না। তখনই এগিয়ে আসেন টি নটরাজন। আইপিএলের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি এ বাঁহাতি বোলার। পাওয়ার-প্লে, ডেথ ওভার সবসময় বল করতে পারেন। নিখুঁত ইয়র্কর দেওয়ার ক্ষমতা আছে। টুর্নামেন্টে উইকেট পেয়েছেন ১৬টি।

১০। শিবম মাভি (কলকাতা নাইট রাইডার্স): চোটের জন্য আস্ত দু’বছর কেকেআরে থাকা সত্বেও সেভাবে দেখা যায়নি খেলতে। এবছর কিন্তু নিজেকে মেলে ধরলেন মাভি। যখনই সুযোগ পেলেন, চিনিয়ে দিলেন নিজের জাত। পাওয়ার প্লে হোক, কিম্বা ডেথ ওভার। কেকেআরের অন্যতম ভরসা ছিলেন মাভি। ৮ ম্যাচে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৯ উইকেট। ওভার পিছু রান ৮.১৫।


এঁরা ছাড়াও কমলেশ নাগারকোটি, প্রিয়ম গর্গ, অর্শদীপ সিং, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা, সুদীপ ত্যাগী, রায়ান পরাগদে মতো তুলনায় অপরিচিত নাম এবারের আইপিএলে নজর কেড়েছেন। সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, মহম্মদ সিরাজ, সন্দীপ শর্মারাও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন নিজেদের দলের হয়ে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement