বিধান নস্কর, দমদম: সোশাল মিডিয়ায় (Social Media) আলাপ, যোগাযোগ বৃদ্ধি, বন্ধুত্ব। তা ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই ‘বন্ধুত্বে’ ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলেন চিকিৎসক। সম্পর্ক তৈরির প্রতিশ্রুতি নিয়ে চিকিৎসককে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের এক কর্মী। লেকটাউনের (Lake Town) ঘটনায় সোমবার ধৃত যুবককে তোলা হবে আদালতে।
লেকটাউনের এক চিকিৎসক মহিলার সঙ্গে সোশাল মিডিয়ায় পরিচয় হয় আইটি (IT) কর্মী অভিজিৎ সাধুখাঁর। তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব (Friendship) গভীর হয়। একে অপরের সঙ্গে টানা যোগাযোগের মধ্যে দিয়ে একে অপরের আরও কাছাকাছি আসেন। অভিযোগ, এরপরই ওই যুবক মহিলার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে। লেকটাউন থানায় লিখিত অভিযোগ জানান ওই চিকিৎসক (Doctor) মহিলা।
[আরও পড়ুন: ফের নতুন রূপে ছড়াতে পারে করোনা ভাইরাস! হুঁশিয়ারি চিনের ‘বাদুড়-মানবী’র]
ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার অভিযুক্ত অভিজিৎ সাধুখাঁকে গ্রেপ্তার করে লেক টাউন থানার পুলিশ। এদিন অভিযুক্তকে বিধাননগর আদালতে (Bidhannagar Court) তোলা হবে। স্রেফ প্রেমের সম্পর্কের টোপ দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এমন জঘন্য কাজ অভিজিতের, তা জানতে মরিয়া তদন্তকারীরা। অভিজিৎকে হেফাজতে নিয়ে সেই উত্তরই জানতে চাইবে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে অভিজিত এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি বলে পুলিশ সূত্রের খবর।