shono
Advertisement

প্রচার নেই, ৯ বছরে বিকোয়নি মেট্রোর ৩০০ টু‌রিস্ট কার্ডও

জানেন, কী এই টু‌রিস্ট কার্ডও?
Posted: 11:41 AM Dec 06, 2022Updated: 11:41 AM Dec 06, 2022

নব্যেন্দু হাজরা: চালু হয়েছে ৯ বছর পার। কিন্তু প্রচার নেই। আর প্রচারের অভাবে বিক্রিও নেই। মেট্রোর (Kolkata Metro Card) টুরিস্ট স্মার্ট কার্ড। অর্ধেকের বেশি মেট্রোর যাত্রী যার নামই শোনেননি। অজানা এই কার্ডের বিক্রিতেও তাই বেশ ভাটা। প্রত্যেক স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ব‌্যবস্থা থাকলেও বিক্রি নেই। বছরে মেরেকেটে গোটা তিরিশেক। মানে মাসে আড়াই থেকে তিন খানা।

Advertisement

কোনওবছর একটু বেশি, তো কোনও বছর বিক্রি একেবারেই তলানিতে। চলতি আর্থিক বর্ষে বিক্রি খানিকটা ভাল। মেট্রোসূত্রে খবর, এপ্রিল মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৩২টি মেট্রোর টুরিস্ট কার্ড বিক্রি হয়েছে। কর্তারা জানাচ্ছেন, যে সমস্ত বিদেশিরা কলকাতায় বেড়াতে আসেন। মেট্রোয় চড়ার আনন্দ পেতে বারবার বিভিন্ন স্টেশনে ওঠানামা করেন, তাঁদের জন‌্যই মেট্রোর এই টুরিস্ট কার্ড।

[আরও পড়ুন: জুনিয়র চিকিৎসকদের বিক্ষোভে পরিষেবা থমকে মেডিক্যাল কলেজে, চূড়ান্ত ভোগান্তিতে রোগীরা]

কী এই ট্যুরিস্ট স্মার্ট কার্ড? ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতা মেট্রোয় চালু হয়েছিল টু‌রিস্ট স্মার্ট কার্ড। যে কার্ড নিয়ে দিনে যতবার খুশি যাতায়াত করা যায়। এখন যার মূল্য তিনদিনের জন‌্য ২৫০ টাকা। আর পাঁচদিনের জন‌্য ৫৫০ টাকা। মূলত দু’রকমের টু‌রিস্ট কার্ডই রয়েছে। কিন্তু থাকলে কী হবে, এমন যে কার্ড রয়েছে, তাই জানেন না সাধারণ মানুষ।

২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর থেকে চালু হয়েছিল এই কার্ড। প্রথম বছর হুজুগে কয়েকটি বিক্রি হয়। কিন্তু তারপর আবারও তাতে ছেদ পড়ে। আধিকারিকদের একাংশের কথায়, যাত্রীদের মেট্রোর তরফে অনলাইন টিকিট কাটানোর জন‌্য যে পরিমাণ বিজ্ঞাপন চলে তার এক শতাংশও এই টু‌রিস্ট কার্ডের জন‌্য না থাকার কারণে লোকের কানে তা পৌঁছয়নি। তাই বিক্রিও হয়নি। তবে অনেকের দাবি, একমাত্র বিদেশি পর্যটকরা ছাড়া কেই বা দিনে এতবার করে পাতালপথে যাতায়াত করে! তাই এতটাকা দিয়ে এই কার্ড তাঁরা কিনতে চান না। পাঁচদিনে ৫৫০ টাকার অঙ্কটা তো বেশ বেশি। তবে মেট্রোর সবকটি রুট যখন চালু হয়ে যাবে। এবং যাত্রীরা একটি কার্ড দিয়েই যে কোনও রুটের মেট্রোয় উঠতে পারবেন, তখন এই কার্ডের চাহিদা কিছুটা বাড়বে বলেই মনে করছেন মেট্রোরেলের কর্তারা।

[আরও পড়ুন: কলকাতা পুরসভাকে দেখে শিক্ষা, এবার বিধাননগরে হুক্কা বার বন্ধের আরজি জানিয়ে চিঠি সিপিকে]

ইস্ট-ওয়েস্টের একাংশ ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই হবে জোকা-তারাতলা এবং নিউ গড়িয়া-রুবির একাংশও। আর পুরো প্রকল্প চালু হলে এই কার্ডের চাহিদা আরও বাড়বে বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। মেট্রোরেলের মুখ‌্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব‌্য চক্রবর্তী বলেন, “সাধারণ যাত্রীরা তো আর এই কার্ড কেনেন না। মূলত বিদেশি পর্যটকরা কেনেন। আমাদের এই কার্ড রাখাই থাকে। কেউ চাইলেই দেওয়া হয়।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement