আফ্রিকায় ছড়াচ্ছে ইবোলা ভাইরাস। আফ্রিকা থেকে যাঁরা রাজ্যে ফিরছেন তাঁদের স্ক্রিনিং-এ জোর দিতে বলল স্বাস্থ্যদপ্তর। দমদম বিমানবন্দরে জারি হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। ইতিমধ্যেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জারি করেছে নির্দেশিকা। দেশের স্বাস্থ্য সচিব পুণ্যসলিলা শ্রীবাস্তব তা পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রতিটি রাজ্যে।
কী এই ইবোলা ভাইরাস? রাজ্যের জনস্বাস্থ্য আধিকারিক ডা. অনির্বাণ দলুই জানিয়েছেন, ইবোলা ভাইরাস, ইবোলা ভাইরাস ডিজিজের জন্য দায়ী। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে হঠাৎ জ্বর, প্রচণ্ড দুর্বলতা, মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, ডায়েরিয়ার মতো উপসর্গ দেখা যায়। বঙ্গে নিযুক্ত 'নেগলেক্টেড ট্রপিক্যাল ডিজিজ' বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোঅর্ডিনেটর ডা. প্রীতম রায় জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ইবোলা ভাইরাস আক্রান্তের খবর নেই। তবে দমদম বিমানবন্দরে ঘোষণা করা হচ্ছে। যাঁরা বিদেশ থেকে আসছেন, বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলি থেকে ফিরছেন, তাঁদের মধ্যে যদি কারও এমন উপসর্গ থাকে, তবে সেলফ ডিক্লারেশন বা স্বঘোষণাপত্র দিতে বলা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম মারাত্মক সংক্রামক রোগগুলির মধ্যে একটা ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশ, আক্রান্ত দেশ থেকে ফেরা ব্যক্তিদের উপর বিশেষ নজরদারি রাখতে হবে।
ইবোলা আতঙ্ক সন্দেহভাজন রোগীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে। প্রতিটি রাজ্যকে র্যাপিড রেসপন্স টিম তৈরি রাখতে বলেছে স্বাস্থ্যদপ্তর। সূত্রের খবর, এখনও ভারতে ইবোলা আক্রান্ত কোনও রোগী পাওয়া যায়নি। প্রথম গত ৫ মে কঙ্গোর ইতুরি এলাকায় অজ্ঞাত রোগে উচ্চ মৃত্যুহারের খবর ছড়ায়। ১৫ মে আফ্রিকার কঙ্গো এলাকার ১৩ জন ব্যক্তির রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে দেখা যায় ৮ জনের রক্তে ইবোলা ভাইরাসের একটি বিশেষ প্রজাতি রয়েছে। ১৯ মে-এর মধ্যে উগান্ডায় ১৩৪ জনের মৃত্যুর খবর আসে।
