কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম ছিল 'প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা'। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সেই নামে আপত্তি তুলে দরিদ্রদের মাথার উপর ছাদ গড়ে দেওয়ার প্রকল্পের নাম বদলে রাখেন 'বাংলার বাড়ি'।এবার বদলের বাংলায় তা ফের নতুন নাম পেল।শুভেন্দু অধিকারীর সরকার 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্পের নাম বদলে রাখলেন 'পশ্চিমবঙ্গ আবাস'।
'বাংলার বাড়ি' যোজনার নাম বদলে গেল, হল 'পশ্চিমবঙ্গ আবাস'
বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তা জানালেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। জানালেন, উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আজই সকলের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাচ্ছে। ১৮ লক্ষ মানুষ পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে। তবে তৃণমূলের তৈরি ৩০ লক্ষের তালিকায় সাড়ে ১২ লক্ষই 'অযোগ্য' বলে দাবি করেছেন দিলীপ ঘোষ। আর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ‘‘যোগ্যরা সবাই সুবিধা পাবে এই প্রকল্পের। উপভোক্তাদের রং দেখব না, ধর্ম দেখব না।'' সরকার এদিনই দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিতে শুরু করেছে, এই ঘোষণায় স্বভাবতই খুশি দারিদ্রসীমার নিচে থাকা সরকারি উপভোক্তারা। এবার অসমাপ্ত বাড়ি তৈরির কাজ তাঁরা শেষ করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে তা জানালেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। জানালেন, উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আজই সকলের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাচ্ছে। ১৮ লক্ষ মানুষ পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে। তবে তৃণমূলের তৈরি ৩০ লক্ষের তালিকায় সাড়ে ১২ লক্ষই 'অযোগ্য' বলে দাবি করেছেন দিলীপ ঘোষ। আর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করলেন, ‘‘যোগ্যরা সবাই সুবিধা পাবে এই প্রকল্পের। উপভোক্তাদের রং দেখব না, ধর্ম দেখব না।''
কেন্দ্র-রাজ্য যৌথ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। কিন্তু তাতে তৃণমূল জমানায় বঞ্চনার অভিযোগ উঠেছিল। তৎকালীন শাসক শিবিরের অভিযোগ ছিল, দরিদ্রদের পাকা বাড়ি তৈরির এই প্রকল্পে কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ঘোষণা করেন, এই অর্থ রাজ্য সরকারই দেবে। সেইমতো তালিকা তৈরি হয়। ঠিক হয়, প্রতিটি বাড়ির জন্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। তার প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এরপর রাজ্যের ক্ষমতা থেকে সরে যায় তৃণমূল কংগ্রেস। তৈরি হয় বিজেপির সরকার। ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের গতি এসেছে। সেইমতো আবাস যোজনার অনুদান প্রদানেও এতটুকু দেরি করল না বর্তমান সরকার।
বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘরে সাংবাদিক বৈঠক করে শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, ‘‘এতদিন তৃণমূল সরকারের আপত্তি ছিল মোদিজির প্রকল্পের নাম নিয়ে। গোটা দেশে যে প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন দরিদ্র মানুষজন, সেটা এখানে চলত না এতদিন। আমাদের স্পষ্ট কথা, এখন থেকে গোটা দেশের মতোই পশ্চিমবঙ্গেও কাজ হবে। 'বাংলার বাড়ি' নামটা আমরা বদলে 'পশ্চিমবঙ্গ আবাস' রাখছি। আজ দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ ৬০ হাজার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে আমরা দিয়ে দিচ্ছি। তৃণমূলের জমানায় এই তালিকায় বহু 'অযোগ্য'র নাম রয়েছে। সেসব চিহ্নিত করে বাদ দিয়ে আমরা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দিচ্ছি।''
