আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: শহরের উপকন্ঠে মদ ও জুয়ার ঠেক বসানোর প্রতিবাদ করে আক্রান্ত শাসকদলের নেত্রী ও তাঁর স্বামী। অভিযোগ, তৃণমূল পরিচালিত অটো ইউনিয়নের অফিসে তাঁকে মারধর করেছে দুষ্কৃতীরা। করা হয়েছে ভাঙচুর। এমনকী, বাড়িতে গিয়ে স্বামীকে মারধর করা হয়। ঘটনা উত্তেজনা ছড়িয়েছে উত্তর শহরতলির বেলঘড়িয়ায়।
[ভালবেসে বিয়ে করেও কেন খুন শুভলগ্নাকে? চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি সুলতানের]
কামরাহাটি পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড। বেলঘড়িয়া স্টেশনে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের লাগোয়া এলাকার সন্ধে নামলেই মদ ও জুয়ার আসর বসে বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার রাতে কাছেই এমবি রোডে বেলঘড়িয়া-বিরাটি অটো রুটের ইউনিয়ন অফিসে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা ছিল। সভায় যোগ দিতে এসেছিলে্ন খোদ কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইউনিয়ন অফিসে যাওয়ার পথে মদ ও জুয়ার ঠেকগুলি নজরে পড়ে স্থানীয় তৃণমূলনেত্রী অপরাজিতা দাসের। প্রতিবাদ করেন তিনি। বৈঠক শেষে অটো ইউনিয়নের অফিসে ঢুকে তাঁকে দুষ্কৃতীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। রীতিমতো তাণ্ডব চলে ইউনিয়ন অফিসে। এখানেই শেষ নয়। পরে শাসককদলের নেত্রী অপরাজিতা দাসের বাড়িতেও চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁর স্বামীকে। শাসকদলের নেত্রী, তাঁর স্বামী-সহ ৫ জন আহত হয়েছেন। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বেলঘড়িয়ায়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দিন কয়েক আগে মদ্যপানের প্রতিবাদ করে বীরভূম সিউড়িতে আক্রান্ত হয়েছিলেন খোদ শাসকদলের বুথ সভাপতি ও তাঁর স্ত্রী। রাতে গ্রামের পুকুরপাড়ে মদের আসর বসিয়েছিল সমাজ বিরোধীরা। বাড়ি ফেরার পথে মদের আসরে টর্চের আলো ফেলেছিল এক স্কুলপড়ুয়া। মদ্যপরা তাকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে রাতেই গ্রামে গিয়েছিলেন শাসকদলের বুথ সভাপতি। তাঁর অভিযোগ, পরদিন সকালে স্ত্রীকে বাইক করে সিউড়ি শহরে আসার পথে হামলা চালায় মদ্যপ যুবকরা। রাস্তায় ফেলে ওই দম্পতিকে মারধর করা হয়। সিউড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শাসক দলের নেতা।
[কলেজে ভরতির নামে তোলাবাজি, হাতেনাতে পাকড়াও যুবক]
The post মদ ও জুয়ার ঠেকের প্রতিবাদ, বেলঘড়িয়ায় আক্রান্ত তৃণমূল নেত্রী ও তাঁর স্বামী appeared first on Sangbad Pratidin.
