shono
Advertisement
BJP

পুজোর আগেই পদ্মে সাংগঠনিক রদবদল, পদ যেতে পারে বহু নেতার!

সূত্রের খবর, সাংগঠনিক রদবদলে একাধিক জেলায় সভাপতি বদল হতে চলেছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 09:08 AM Jul 30, 2026Updated: 09:33 AM Jul 30, 2026

পুজোর আগেই বঙ্গ বিজেপির সর্বস্তরেই সাংগঠনিক রদবদল প্রক্রিয়া সেরে নিতে চাইছে শীর্ষনেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করে তুলতে চাইছে বিজেপি। রাজ্যে এখন দল ক্ষমতায়, তাই প্রশাসন ও সংগঠনের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করা এবং নতুন নেতৃত্বকে সামনে আনার পাশাপাশি সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সক্রিয় করার কৌশল নিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, সাংগঠনিক রদবদলে একাধিক জেলায় সভাপতি বদল হতে চলেছে। তবে শুধু জেলা নয়, মণ্ডল সভাপতি এবং বুথস্তরেও রদবদলের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বাংলায় দল ক্ষমতায় আসার পর গত দু'মাসে নিচুতলায় যে সমস্ত নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজ্যস্তরে জমা পড়েছে তাদেরও একাধিক জনকে পদ থেকে সরানো হতে পারে।

Advertisement

নিচুতলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করছে এরকম একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগও দলের শীর্ষস্তরে জমা পড়ছে। সব দেখেশুনেই আগামীর কথা ভেবে নিচুতলা থেকে সংগঠন মজবুত করতে ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বকে পদে আনা হতে পারে।

অন্যদিকে, বাংলা থেকে অন্তত দু'জন নেতৃত্ব দলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন বলে খবর। একজনকে জাতীয় সহ-সভাপতি ও আরেকজনকে জাতীয় সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা কারা সে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে দিলীপ ঘোষ জাতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্বে পেয়েছিলেন। তার আগে জাতীয় সম্পাদক পদে ছিলেন রাহুল সিনহা। তখন পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দল ছিল বিজেপি। আর বর্তমানে রাজ্যে শাসকদল তারা। কাজেই বঙ্গ বিজেপির গুরুত্ব দিল্লির কাছে বেড়েছে। তাই বাংলার দু'জনকে কেন্দ্রীয় পদাধিকারীতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব 'এক ব্যক্তি, এক পদ' নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। সেই কারণে সম্প্রতি রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া বিজেপি বিধায়কদের নতুন সাংগঠনিক কমিটিতে না রাখার সম্ভাবনা বেশি।

প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং সাংগঠনিক দায়িত্ব আলাদা রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কাজে সক্রিয় এবং জেলার সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত নেতাদের সামনে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রসঙ্গত, অন্য রাজ্যে কোথায় দ্বিতীয়-তৃতীয় বা চতুর্থ মেয়াদের সরকার চলছে। এখানে প্রথম। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ক্ষমতার হাত বদলের পরে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তর থেকে বেনোজলের মতো বহু কর্মী-নেতা বিজেপিতে ঢোকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই তা আটকানোর বার্তা দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আবার ক্ষমতায় থাকাকালীন সংগঠনের বিভিন্নস্তরের নেতৃত্বের যে দায়িত্বশীল ভূমিকা যেটা হওয়া উচিত, অনেক ক্ষেত্রেই তা দেখা যাচ্ছে না। নিচুতলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করছে এরকম একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগও দলের শীর্ষস্তরে জমা পড়ছে। সব দেখেশুনেই আগামীর কথা ভেবে নিচুতলা থেকে সংগঠন মজবুত করতে ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বকে পদে আনা হতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement