সবেমাত্র বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বাংলা দখল করেছে বিজেপি। প্রথমবার সরকার গঠন হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলের কোনও নেতা-কর্মীর বেসামাল আচরণ বরদাস্ত নয়। প্রত্যেকের গতিবিধির উপর নজর রাখবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দলবিরোধী আচরণের জন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেকোনও মুহূর্তে নেমে আসতে পারে বহিষ্কারের মতো শাস্তির খাঁড়া। তাতে রেয়াত পাবেন না সদ্য বিজয়ী বিধায়করাও। শুক্রবার নিউটাউনের একটি হোটেলে দলীয় বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শমীক ভট্টাচার্য জানান, "কোনও সিন্ডিকেট, তোলাাবাজি চলবে না। টোটো, অটোর দখলদারিও বরদাস্ত নয়। বিরোধী দলের কার্যালয় দখল করা যাবে না।"
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ছিলেন বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জরাও। এদিনের বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানান, "কোনও সিন্ডিকেট, তোলাাবাজি চলবে না। টোটো, অটোর দখলদারিও বরদাস্ত নয়। বিরোধী দলের কার্যালয় দখল করা যাবে না।" দলের 'তৃণমূলীকরণ' রুখতেও কড়া বার্তা দেওয়া হয়। শমীক জানান, এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেকেই বিজেপিতে যোগদানের চেষ্টা করছেন। তবে আপাতত অন্য দল থেকে কাউকে নেওয়া যাবে না। এমন অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনে বহিষ্কার করা হবে। শুধু নেতা-কর্মীরাই নন। বিধায়করাও এই নির্দেশিকার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না।
এছাড়া রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বিধায়কদের জনসংযোগ বৃদ্ধিতেও জোর দেন। তাঁর নির্দেশ, "বিধায়কদের গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। স্থানীয়দের ধন্যবাদজ্ঞাপন করতে হবে।" বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল জেলা সভাপতিদের কোর কমিটির নির্দেশমতো চলার কথা বলেন। তাঁর কথায়, "একা কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। এমনকী উন্নয়নের সিদ্ধান্তও নয়। ১৫ জনের কোর কমিটি গঠন হবে। ওই কমিটির সঙ্গে একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।" আগামী ২৫ মে'র মধ্যে কোর কমিটি গড়ার নির্দেশ দেন তিনি।
