গত শুক্রবার নিট আন্দোলনে ধর্মতলায় তুলকালাম হয়! সাংবাদিক নিগ্রহও হয়। সেই ঘটনার প্রতিবাদে পালটা পথে নামল বঙ্গ বিজেপি। দলীয় পতাকা ছেড়ে জাতীয় পতাকা হাতে কলকাতার দুই প্রান্তে মিছিল বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের। একটি মিছিল শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা ও অন্যটি গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত। মিছিল, আন্দোলনের নামে গত শুক্রবার অরাজকতা দেখা গিয়েছে! হিংসা ছড়ানোর পাশাপাশি দেশ বিরোধী স্লোগানও উঠেছে বলে অভিযোগ। কোনওভাবেই বাংলায় এইসব মানা হবে না, বলে সরকারের তরফে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেই প্রতিবাদে এবার পথে নেমে সরব বঙ্গ বিজেপি।
ধর্মতলায় জাতীয় পতাকা হাতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। নিজস্ব চিত্র
গত শুক্রবার নিট আন্দোলন, 'আরশোলা'দের সমর্থনে পথে নেমেছিল এসএফআই-সহ একাধিক বাম ছাত্র সংগঠন। শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ওই মিছিল ও অবস্থানের কর্মসূচি ছিল। ধর্মতলায় ওই মিছিলের তরফ থেকে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ ওথে। বিতর্কিত পোস্টার, প্ল্যাকার্ড তো ছিলই, দেশবিরোধী স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। খবর করতে গিয়ে একাধিক সাংবাদিক আক্রান্ত হয়েছিলেন! মিছিল থেকে হিংসা ছড়ানো, সাংবাদিক নিগ্রহের প্রতিবাদে আজ, সোমবার পথে বঙ্গ বিজেপি।
শিয়ালদহ থেকে বিকেল সাড়ে তিনটের পর মিছিল শুরু হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে ধর্মতলার উদ্দেশ্যে মিছিল শুরু হয়। শিয়ালদহের ওই মিছিলে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা, তমোঘ্ন ঘোষ-সহ একাধিক বিজেপি নেতা ছিলেন।
শিয়ালদহ থেকে বিকেল সাড়ে তিনটের পর মিছিল শুরু হয়। জাতীয় পতাকা নিয়ে ধর্মতলার উদ্দেশে মিছিল শুরু হয়। শিয়ালদহের ওই মিছিলে রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়, বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ, শঙ্কুদেব পণ্ডা, তমোঘ্ন ঘোষ-সহ একাধিক বিজেপি নেতা ছিলেন। নিট আন্দোলনের নামে অরাজকতা, দেশবিরোধী স্লোগান মানা যায় না। যাঁরা হিংসা ছড়িয়েছেন, তাঁদের শাস্তি হবে। জোরালো এই দাবি করেছেন তাপস রায়। যারা হিংসা ছড়িয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা কীভাবে ছাত্র হতে পারেন? সেই প্রশ্ন তুলেছেন সজল ঘোষ। সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূল 'আরশোলা' সেজেছে, সেই অভিযোগও করেছেন সজল। ধৃতদের কড়া শাস্তির দাবিও তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অসম্মানের পালটা স্লোগান তোলা হয়।
দেশে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই অভিযোগ তুলেছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পড়ুয়াদের শিখণ্ডি করে দেশভাগের চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ, সংবাদ মাধ্যমকে টার্গেট করা হচ্ছে। সেই অভিযোগ উঠেছে। কংগ্রেস আমলে ৫৩ বার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। সেই মন্তব্য করেন তাপস রায়। 'আরশোলা'দের বয়কট করার ডাকও দেওয়া হয়েছে।
