shono
Advertisement
BJP's Tiranga Yatra

অরাজক 'আরশোলা', প্রতিবাদের নামে ভারত বিরোধিতা! সোমে কলকাতায় 'তিরঙ্গা যাত্রা' বিজেপির

বিজেপি সূত্রে খবর, সোমবার বিকেল ৩টেয় শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু করে শিয়ালদহ ফ্লাইওভার, মৌলালি, এস এন ব্যানার্জি রোড হয়ে মিছিল পৌঁছবে ডোরিনা ক্রসিংয়ে।
Published By: Arpita MondalPosted: 09:01 PM Jul 24, 2026Updated: 09:10 PM Jul 24, 2026

নিটের প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে তোলপাড় রাজধানী। শুক্রবার মিছিল শেষে ‘ককরোচ’দের জঙ্গিপনার সাক্ষী থাকল কলকাতা! এবার সিজেপি ও বামেদের আন্দোলনের প্রতিবাদে পথে নামছে বিজেপি। সোমবার একই রুটে 'তিরঙ্গা যাত্রা'র পরিকল্পনা উত্তর কলকাতার বিজেপি সংগঠনের। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ডোরিনা ক্রসিং পর্যন্ত মিছিল নামবেন গেরুয়া সমর্থকরা। বিজেপি সূত্রে খবর, সোমবার বিকেল ৩টেয় শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু করে শিয়ালদহ ফ্লাইওভার, মৌলালি, এস এন ব্যানার্জি রোড হয়ে মিছিল পৌঁছবে ডোরিনা ক্রসিংয়ে।

Advertisement

উত্তর কলকাতার বিজেপি জেলা সভাপতির সাফ কথা, "প্রতিবাদ মানে সাংবাদিক পেটানো নয়। প্রতিবাদ মানে ভারত বিরোধী স্লোগান নয়।"

গতকালই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে কোনও আপত্তি নেই। তবে আন্দোলনের নামে 'দেশদ্রোহিতা' কোনওভাবেই বরদাস্ত নয়। তারপরেও শুক্রবার কলকাতার বুকে নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখা গেল 'আরশোলা'দের! শুক্রবার ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ের কাছে অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল জুতো- জলের বোতল। এমনকী পুলিশের গায়ে জলও ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দিল্লির ধাঁচে সাংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের নিগ্রহের অভিযোগও ওঠে। এর প্রতিবাদেই এবার পালটা পথে-প্রতিবাদে নামতে চলেছে বিজেপি। উত্তর কলকাতার বিজেপি জেলা সভাপতির সাফ কথা, "প্রতিবাদ মানে সাংবাদিক পেটানো নয়। প্রতিবাদ মানে ভারত বিরোধী স্লোগান নয়।"

শুক্রবার ধর্মতলার কাছে অবস্থান বিক্ষোভে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো- জলের বোতল।

কলকাতায় সিজেপি ও বামেদের আন্দোলন মোকাবিলায় এবার সরাসরি রাস্তায় নামছে সঙ্ঘও। ছাত্র সংগঠন এবিভিপি, শিক্ষক-অধ্যাপকদের সংগঠন এবিআরএসএম, বিএসএম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালক সংগঠন বিদ‍্যা ভারতী-সহ কয়েকটি সংগঠন জেলায় জেলায় মিছিল ও পথসভার ডাক দিয়েছে। আজ থেকেই এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, ‘শিক্ষা সংস্কৃতি সুরক্ষা মঞ্চ’-এর নামে একটি ব্যানারে এবিভিপি-সহ একাধিক সংগঠন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে পরিকল্পনা নিয়েছে। 

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এই আন্দোলন শুরুর পরই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা ছিল, দেশের পড়ুয়াদের ক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে হিংসা ও অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বিদেশ থেকে। সেই আশঙ্কা যে অমূলক নয়, শুক্রবার সকালে তার হাতেগরম প্রমাণ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাকিস্তান থেকে ভারতের এই ছাত্র বিক্ষোভের আড়ালে উসকানি দেওয়ার ভয়াবহ ষড়যন্ত্র প্রকাশ্যে চলে এল। দিল্লি পুলিশ জানিয়ে দেয়, যন্তর মন্তরে ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে, সেগুলির নেপথ্যে রয়েছে পাক উসকানি। সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের তরফে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে ‘ভুয়ো খবর’ নিয়ে। প্রায় ৪৮০ পাক সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডল বাতিল করা হয়েছে বলে খবর। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement