বেআইনি দেখলেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে বাংলায় চলছে বুলডোজার অ্যাকশন। শিয়ালদহ, দমদম, যাদবপুরের মতো স্টেশনগুলিতে আগেই হকার উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে রেল। মধ্যমগ্রাম স্টেশনে বেআইনি উচ্ছেদের বিরোধিতা করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ১৩ জন। মামলাকারীদের আবেদনে সাড়া দিয়ে অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রেল। এবার সেখানেও বহাল থাকল সিঙ্গল বেঞ্চের রায়।
বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ,'কিন্তু আপনারা নোটিশ দিয়েছেন। কোন কাঠামো সেটা বলুন নাহলে নোটিশ খারিজ করব।' তিনি জানতে চান, 'কাদের লাইসেন্স আছে? কাদের নেই? কারা কাঁচা কাঠামো, কারা পাকাপাকি কাঠামো ইত্যাদি ভাগ গুলি কি আলাদা করেছেন?'
ডিভিশন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত মধ্যমগ্রাম স্টেশনের সকলের জন্যই স্থগিতাদেশ প্রযোজ্য হবে। এদিন মামলার শুনানিতে রেলের তরফে আইনজীবী ডি এস জি ধীরজ ত্রিবেদী বলেন,'কারা এই মামলা করেছে, চ্য়ালেঞ্জ করছি। ইউনিয়ন কি মামলা করতে পারে? হকার উচ্ছেদ করতে কোন নোটিশ লাগে না।' বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণ,'কিন্তু আপনারা নোটিশ দিয়েছেন। কোন কাঠামো সেটা বলুন নাহলে নোটিশ খারিজ করব।' তিনি জানতে চান, 'কাদের লাইসেন্স আছে? কাদের নেই? কারা কাঁচা কাঠামো, কারা পাকাপাকি কাঠামো ইত্যাদি ভাগ গুলি কি আলাদা করেছেন?'
রেলের আইনজীবী বলেন, 'যে ১৩ জন আদালতে এসেছে তাদের ছাড়। এখন বলছে সবার জন্য অর্ডার দেওয়া হোক। যত হকার আছে সবাইকে দেওয়া হোক৷ সেটা অসম্ভব।'বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, 'আপনারা কাকে তাহলে নোটিশের মধ্যে আনছেন? যদি বলেন আলাদা আলাদা করে প্রত্যেককে দেবেন না, তাহলে হকাররাও একইভাবে একসঙ্গে ওই স্থগিতাদেশ পাবেন বলতেই পারেন।' এদিন হকারদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, 'হকার্স একটা ক্লাস। এদের সম্পত্তি অধিকার থাকে না, শুধু ব্যবসার করার ক্ষমতা থাকে।'
