বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দেখানো পথে কি হাঁটতে চলেছেন হাই কোর্টের অপর এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু? বৃহস্পতিবার এবিপি আনন্দে সুমন দে'কে দেওয়া বিশ্বজিৎ বসুর একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার হয়। অকপটে সম্প্রচার হাওয়া সাক্ষাৎকার পর্বে বিচার ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র ও শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি ও স্কুল-কলেজ পরিচালনা নিয়ে মুখ খোলেন প্রাক্তন বিচারপতি বসু। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে এই এবিপি আনন্দেই প্রথম সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তখন তিনি কর্মরত বিচারপতি। পরবর্তীতে অবসরের আগেই বিচারপতি পদ ছেড়ে যোগ দেন রাজনীতিতে। যদিও এক্ষেত্রে অবসরের পর প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এদিন সাংবাদিক সুমন দে সম্প্রতি রাজ্যে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা, নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে আর জি কর কাণ্ড-সহ একাধিক ইস্যুতে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর মতামত চান। তা নিয়ে কোথাও বিচারপতি বসুকে বলতে শোনা যায়, "বিচার ব্যবস্থার স্বাস্থ্য ভালো নেই।”
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে এই এবিপি আনন্দেই প্রথম সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তখন তিনি কর্মরত বিচারপতি। পরবর্তীতে অবসরের আগেই বিচারপতি পদ ছেড়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশের পরপরই সুপ্রিম কোর্টে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা তা কতটা যুক্তিযুক্ত সে প্রসঙ্গেও প্রশ্ন ওঠে এই সম্প্রচার পর্বে। যদিও তাঁর কথায়, “ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্ট সেটা করতে পারে। তবে মানুষের অনাস্থা বা হতাশা সবটাই কিন্তু এসে পড়ে বিচার ব্যবস্থার উপরে।” শিক্ষা ব্যবস্থা ও নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায়, "শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি যে শিক্ষাকে ধ্বংস করেছে শুধু তা নয়। এর শিকড় আছে আরও অনেক গভীরে।" শিক্ষকদের শিক্ষার বাইরে বাকি সবকিছু করতে হয় বলেও আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।
