তারাতলা বিপর্যয়ের মধ্যেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে এবার কড়া কলকাতা হাই কোর্ট। ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকার বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া অবস্থান নিল উচ্চ আদালতের। বেআইনি নির্মাণ নিয়ে প্রশাসনের ৩ উচ্চপদস্থ কর্তাকে তলব করল হাই কোর্ট। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ মোট ৩ জনকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ জুলাই তাঁদের হাজিরা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় বেআইনি নির্মাণের রমরমা। ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকা। এই এলাকায় জলাভূমি বুজিয়ে ও সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক গজিয়ে ওঠা অবৈধ বহুতল নিয়ে মানুষের ক্ষোভ, অভিযোগ বহুদিনের। এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল হাই কোর্টও। প্রায় পাঁচশোর উপর বেআইনি নির্মাণ আছে ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায়। সেগুলির ভবিষ্যৎ কী? তা জানতেই পুর কমিশনার ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক-সহ ৩ জনকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় বেআইনি নির্মাণের রমরমা। ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকা। এই এলাকায় জলাভূমি বুজিয়ে ও সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক গজিয়ে ওঠা অবৈধ বহুতল নিয়ে মানুষের ক্ষোভ, অভিযোগ বহুদিনের। এবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল হাই কোর্টও। প্রায় পাঁচশোর উপর বেআইনি নির্মাণ আছে ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায়। সেগুলির ভবিষ্যৎ কী? তা জানতেই পুর কমিশনার ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক-সহ ৩ জনকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আসলে তারাতলা বিপর্যয়ের পর বেআইনি নির্মাণ নিয়ে রাজ্য সরকার কড়া পদক্ষেপ করেছে। আপাতত কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার নির্মাণকাজ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি হয়েছে।
এই আবহে উচ্চ আদালতও কড়া অবস্থান গ্রহণ করল। জলাভূমি বুজিয়ে, পরিবেশের নিয়মকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে এত বিপুল সংখ্যক অবৈধ নির্মাণ ইস্ট কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় গড়ে উঠল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে হাই কোর্ট। যে কারণেই কলকাতা পুরসভার পুর কমিশনার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট আরও এক উচ্চপদস্থ কর্তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ১৪ জুলাই তাঁদের সশরীরে আদালতে হাজিরা দিয়ে এই বিষয়ে জবাবদিহি করতে হবে। এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট জানতে চান, এই ৫০০-র বেশি বেআইনি নির্মাণের ভবিষ্যৎ কী? প্রশাসন এগুলির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? যদি এগুলি সত্যিই অবৈধ উপায়ে তৈরি হয়ে থাকে, তবে সেগুলি ভাঙার ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরিকল্পনা কী?
