shono
Advertisement
Camac street billboard

বিলবোর্ড বিতর্কে হস্তক্ষেপ করল না আদালত, 'খুলেই তো ফেলা হয়েছে' বলল হাই কোর্ট

শুক্রবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, 'হোর্ডিং তো খুলেই ফেলা হয়েছে। নতুন করে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।'
Published By: Arpita MondalPosted: 05:00 PM Aug 28, 2026Updated: 05:43 PM Aug 28, 2026

কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিলবোর্ড খুলে ফেলার মামলায় হস্তক্ষেপই করল না কলকাতা হাইকোর্ট। আপাতত সেই মামলায় অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেল না তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, 'হোর্ডিং তো খুলেই ফেলা হয়েছে। নতুন করে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।'

Advertisement

কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তর থেকে বিলবোর্ড খোলার ঘটনায় হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল। শুক্রবার সকালে এই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন রাজা বসুচৌধুরী। এদিন আদালতে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, “বিকেল ৪টে বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের অফিসে গিয়ে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার কাজ করেন। বৃহস্পতিবারই হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি এই বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলেন।” এরপরই তৃণমূলের আইনজীবী অতিরিক্ত তালিকা বার করে যত দ্রুত সম্ভব মামলাটি শোনার আর্জি জানান। বিচারপতি রায়চৌধুরী তৃণমূলের আইনজীবীকে মামলা দায়ের করে তার নম্বর নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “মামলার নম্বর না পড়লে আমি শুনতে পারব না। মামলার নম্বর আসার পরেই শুনানি হবে। তার আগে সম্ভব হয়। আপনি নম্বর নিয়ে আসুন আজকেই শুনানি হবে।” পাশাপাশি, মামলার অন্য পক্ষকেও বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি।

ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার স্কোয়ার ফুটের বেশি জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস রয়েছে। তৃণমূল আমলে এই অফিস থেকেই নানান ‘নির্দেশ’ যেত জেলায় জেলায়, নেতাদের কাছে। সেই বাড়ির মাথায় জ্বলজ্বল করত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা সাইনবোর্ড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই সাইনবোর্ডই ভেঙে দেয় কলকাতা পুরসভা। কাজটা অবশ্য নির্বিবাদে হয়নি। দফায় দফায় বচসায় জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীদের। সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ অন্যরা। বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনও বাধাই কাজে আসেনি। তারা বিলবোর্ড খুলে দেয়। যদিও সামান্য সময়ের ব্যবধানে ফের বিলবোর্ড বসায় তৃণমূল। এই ঘটনায় পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৩ জনকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement