শিক্ষক বদলি সংক্রান্ত এক মামলায় হুগলির প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল (ডিপিএসসি)কে বেআইনি আখ্যা দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল হাই কোর্টের বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, আপাতত প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল তাদের কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। তবে এ নিয়ে কাউন্সিলকে এই সংক্রান্ত নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।
এর আগে কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ ছিল, কাউন্সিল পরিচালনা ও গঠনের ক্ষেত্রে যে নিয়ম, আইন রয়েছে তা মেনে কাউন্সিল তৈরি হয়নি। তাই এই কাউন্সিলের যেহেতু অবৈধ, এর কোনও অস্তিত্বই নেই। জেলার প্রাইমারি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদাধিকারীদের নির্দেশ দেওয়ার কোন ক্ষমতা নেই। যদি তারা দিয়েও থাকেন তা বৈধ নয়। ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে যায় প্রাইমারি কাউন্সিল। বুধবার সেই সংক্রান্ত মামলাতেই ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে পারবে কাউন্সিল।
এর আগে কলকাতা হাই কোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশ ছিল, কাউন্সিল পরিচালনা ও গঠনের ক্ষেত্রে যে নিয়ম, আইন রয়েছে তা মেনে কাউন্সিল তৈরি হয়নি। তাই এই কাউন্সিলের যেহেতু অবৈধ, এর কোনও অস্তিত্বই নেই। জেলার প্রাইমারি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে বিভিন্ন পদাধিকারীদের নির্দেশ দেওয়ার কোন ক্ষমতা নেই। যদি তারা দিয়েও থাকেন তা বৈধ নয়।
আদালতে হুগলি জেলার প্রাইমারি কাউন্সিলের আইনজীবী বিশ্বব্রত বসু মল্লিক জানান, "ডিপিএসসি প্রাথমিকে নিয়োগ থেকে শুরু করে, বদলি সমস্ত কাজটাই করে। এই গোটা প্রক্রিয়াটাই বন্ধ হয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয়, কাউন্সিলের বাদ বাকি যা কাজ, তাও করতে পারছে না। কাউন্সিলে যে সমস্ত কর্মী রয়েছে তাঁরাও সংকটে পড়েছে।" আইনজীবী মহলের মতে, ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশের জেরে সারা রাজ্যে প্রাইমারি কাউন্সিলের যে অচলাবস্থা তৈরি হতে যাচ্ছিল, তার নিরসন হল। কাউন্সিলের যে অস্তিত্ব সংকটহীনতায় ভুগছিল তার থেকে মুক্তি পেল।"
প্রসঙ্গত, হুগলি ডিপিএসসি চন্দনা ভুঁই নামে এক শিক্ষিকাকে বদলির নির্দেশ দিয়েছিল। তার বদলি বেআইনি দাবি করে, সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতে মামলা করেন তিনি। সেই মামলায় শুধু শিক্ষিকার বদলি বাতিলই নয়, এই কাউন্সিলকেও বেআইনি বলেছিল হাই কোর্ট।
