আপাতত প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ‘সারপ্লাস’ বা উদ্বৃত্ত বদলি করা যাবে না। বুধবার এমনই অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি বিভাস পট্টনায়েকের এজলাসে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক স্পষ্ট জানান, রাজ্য ‘সারপ্লাস’ বদলির জন্য নতুন এসওপি অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া চালাতে পারবে। শিক্ষকরা বদলির আবেদনও জমা দিতে পারবেন। তবে সেই ভিত্তিতে কাউকে এখনই বদলি করা যাবে না। তবে আগামী বুধবার ফের এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে।
সম্প্রতি ১৫ ও ২৪ জুলাই দু’দফায় ‘সারপ্লাস’ বদলির এসওপি প্রকাশ করে রাজ্য। ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে ভারসাম্য আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন বলছে প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ার জন্য ১ জন করে শিক্ষক থাকতে হয়। এটাই আদর্শ অনুপাত হিসাবে ধরা হয়। কিন্তু বহু স্কুলেই এহেন ভারসাম্য নেই। এহেন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি ১৫ ও ২৪ জুলাই দু’দফায় ‘সারপ্লাস’ বদলির এসওপি প্রকাশ করে রাজ্য। ছাত্র-শিক্ষক অনুপাতে ভারসাম্য আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তবে মামলাকারী শিক্ষকদের অভিযোগ, বদলির ক্ষেত্রে বয়স ও কর্মজীবনের অগ্রাধিকার নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী প্রতি ৩০ জন পড়ুয়ায় ১ জন শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু রাজ্যের বহু স্কুলেই সেই অনুপাত নেই। এক্ষেত্রে বিভ্রান্ত রয়েছে বলে দাবি মামলাকারীদের। এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের দাবি করা হয়।
আজ, বুধবার মামলাটি বিচারপতি পট্টনায়েকের বেঞ্চে শুনানি হয়। শুনানিতে বিচারপতি পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট জানান, নতুন এসওপি অনুযায়ী তথ্য সংগ্রহ ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া চালাতে পারবে। শিক্ষকরা বদলির আবেদনও জমা দিতে পারবেন। তবে সেই ভিত্তিতে কাউকে এখনই বদলি করা যাবে না।
