shono
Advertisement
Govt will monitor to curb the sugar crisis

অযথা চিনি মজুত নয়, কেন্দ্রের নির্দেশিকার পর 'অ্যাকশনে' নবান্ন

উৎসবের মরশুমে অযথা চিনি মজুত বা কালোবাজারি রুখতে অ্যাকশনে নামবে নবান্ন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালবে।
Published By: Arpita MondalPosted: 04:27 PM Aug 24, 2026Updated: 05:06 PM Aug 24, 2026

মিষ্টিমুখেও লাগছে ছ্যাঁকা! গত প্রায় ২০ দিনে প্রতি কেজিতে ২০ টাকারও বেশি বেড়েছে চিনির দাম। এই আবহে মধ্যবিত্তের পকেটে যেমন টান পড়ছে, তেমনই মিষ্টি ব্যবসায়ীদের কপালেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ব্যবসায় মন্দার আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই মিষ্টিজাত দ্রব্যের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই আবহে এবার হু হু করে বেড়ে চলা চিনির দামে রাশ টানতে যৌথভাবে নজরদারি চালাবে কেন্দ্র-রাজ্য। উৎসবের মরশুমে অযথা চিনি মজুত বা কালোবাজারি রুখতে অ্যাকশনে নামবে নবান্ন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান চালাবে।

Advertisement

কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে রাজ্যের আধিকারিকদের। প্রয়োজনে কেন্দ্রও রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালাবে।

আগামী মাস থেকেই শুরু উৎসবের মরশুম। অক্টোবরেই বাঙালি সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। তারপর একের পর এক পুজো লেগেই আছে। আর পশ্চিমবঙ্গে উৎসবের সমার্থক মিষ্টি। আর মিষ্টি মানেই তার অপরিহার্য উপকরণ চিনি। এই আবহে কোনওভাবেই চিনির কালোবাজারি বরদাস্ত করা হবে না। তাই অবৈধভাবে যাতে চিনি মজুত না হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রক। কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে রাজ্যের আধিকারিকদের। প্রয়োজনে কেন্দ্রও রাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান চালাবে।

কনফেকশনারি, সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক, বড় মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার মতো যে সব ব্যবসায় বেশি পরিমাণ চিনি প্রয়োজন, তারা কোনওভাবেই একটানা ১৫ দিনের বেশি বা ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। ব্যবসায়ীরা কোনওভাবে নিয়ম ভাঙলে ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। সেই সঙ্গে আর্থিক জরিমানাও করা হবে। 

মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি সুরেশ কুমার নায়েকের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, কনফেকশনারি, সফট ড্রিঙ্কস প্রস্তুতকারক, বড় মিষ্টির দোকান এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থার মতো যে সব ব্যবসায় বেশি পরিমাণ চিনি প্রয়োজন, তারা কোনওভাবেই একটানা ১৫ দিনের বেশি বা ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। শুধু নির্দেশিকা বা অভিযানেই শেষ নয়। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ীরা কোনওভাবে নিয়ম ভাঙলে ন্যূনতম তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। সেই সঙ্গে আর্থিক জরিমানাও করা হবে। রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের মাঠে নেমে স্টক পরীক্ষা করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement