হাফ সেঞ্চুরির দিনগুলো পেরলেই দুর্গাপুজোর ভরা মরশুম। মাত্র ৫২ দিন পর শুরু এবছরের শারদোৎসব। তার আগে প্রস্তুতি তুঙ্গে ছোট-বড় সব পুজোমণ্ডপে। কেউ সবে পরিকল্পনা শেষ করেছেন, কেউ আবার খানিকটা এগিয়ে কাজে হাত লাগিয়েছেন। প্রতি বছর কলকাতার পুজোগুলিতে নানা চমক থাকে। আয়োজন ছোট হলেও কোনও কোনও উদ্যোক্তা মণ্ডপসজ্জা বা থিমে এমন অভিনবত্বের ছোঁয়া দিয়ে থাকেন, যা দর্শকদের মুগ্ধ করে দেয়। শুধু তাই নয়, অনেক বিগ বাজেটের পুজোকেও তারা পিছনে ফেলে। এবারও এমনই এক অনামী পুজো বিশাল চমক দিতে চলেছে। তাদের থিম এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী! নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন - শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্যের কাহিনি থাকবে এই পুজোর প্রতিটি কোণে কোণে।
পুজোর উদ্যোক্তা তথা অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য, ‘‘আমাদের পুজোর মূল থিম এবার 'নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা'। আপনারা জানেন, আমাদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর ডাক নাম বুবাই। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম, সাফল্য - সবকিছু থাকবে আমাদের এবারের পুজোয়। মণ্ডপে থাকবে তাঁকে নিয়ে আঁকা পটচিত্র, ফ্লেক্স, ব্যানার। এছাড়া তাঁর ক্ষুদ্রতম একটা মূর্তি তৈরি করব আমরা। মুগডাল বা অন্য কিছুর উপর তৈরি হবে।''
'নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা' - এই থিমে সেজে উঠছে রুবি মোড়ের একটি দুর্গাপুজো। জাঁকজমক নয়, বরং সনাতন রীতিনীতি মেনে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফে প্রতিবছর এখানে পুজো হয়। এবার অবশ্য আলাদা ব্যাপার। প্রথমবার রাজ্যের ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নন্দীগ্রামের সেই দামাল ছেলে শুভেন্দু অধিকারী, এলাকাবাসীর প্রিয় 'বুবাই'। তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারে এমন সোনার সময়কে ধরে রাখতে এবার হিন্দু মহাসভার দুর্গাপুজোর থিম তিনিই। রুবি মোড়ের এই পুজো মণ্ডপ সেজে উঠছে শুভেন্দুকে নিয়ে আঁকা পটচিত্র, ফ্লেক্স, ব্যানারে। সবচেয়ে বড় চমক মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষুদ্রতম মূর্তি থাকবে এখানে।
পুজোর উদ্যোক্তা তথা অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার রাজ্য সভাপতি চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য, ‘‘আমাদের পুজোর মূল থিম এবার 'নন্দীগ্রাম থেকে নবান্ন/বুবাইয়ের জয়যাত্রা'। আপনারা জানেন, আমাদের প্রিয় মুখ্যমন্ত্রীর ডাক নাম বুবাই। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম, সাফল্য - সবকিছু থাকবে আমাদের এবারের পুজোয়। মণ্ডপে থাকবে তাঁকে নিয়ে আঁকা পটচিত্র, ফ্লেক্স, ব্যানার। এছাড়া তাঁর ক্ষুদ্রতম একটা মূর্তি তৈরি করব আমরা। মুগডাল বা অন্য কিছুর উপর তৈরি হবে। সেটা সাজানো থাকবে মণ্ডবে। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার তরফে একটা তথ্যচিত্র বানাব, সেটা মণ্ডপে সারাক্ষণ চলবে। সবমিলিয়ে, আমাদের পুজো ঘিরে এবার থাকবেন শুধু মুখ্যমন্ত্রী।''
প্রতিমাসজ্জায় আলাদা কিছু থাকে না এই পুজোয়। সাবেকী দুর্গামূর্তিতে পুজো হয় হিন্দু মহাসভায়। এবারও তাই হবে। চন্দ্রচূড় গোস্বামীর বক্তব্য, হিন্দু মহাসভার ঘাট থেকে মাটি তুলে দুর্গামূর্তি তৈরি হবে। সুতরাং, অপেক্ষা আর ৫২ দিনের। তারপরই কলকাতাবাসী চাক্ষুষ করবেন, দুর্গাপুজো জুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর নীরব উপস্থিতি।
