মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর থেকে বারবার শুভেন্দু অধিকারী আচরণের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি মানুষের পাশে ছিলেন, আছেন, থাকবেন। এবার আমজনতার সমস্যার কথা শুনতে উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে জনতার দরবার করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। জানা যাচ্ছে, সপ্তাহে ১ বা ২ দিন সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী।
জানা যাচ্ছে, সপ্তাহে ১ বা ২ দিন সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হবে বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে খুশি আমজনতা।
সরকারে যে দলই থাকুক না কেন, সাধারণ মানুষের কিছু অভাব-অভিযোগ থাকেই। যা মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষে সর্বদা জানা সম্ভব নয়। এদিকে বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগও করতে চান। কিন্তু নিয়মের বেড়াজালে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সম্ভব হয় না। চিঠি পাঠালেও সবক্ষেত্রে তা নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছয় না। সেই সমস্যা সমাধানে এবার জনতার দরকার করবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানা যাচ্ছে, সপ্তাহে ১ বা ২ দিন সরাসরি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন তিনি। সঙ্গে থাকবেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করা হবে বলে খবর। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগে খুশি আমজনতা। নিশ্চয়ই ভাবছেন কবে থেকে শুরু হবে জনতার দরবার? সম্ভবত ১ জুন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ মিলবে রাজ্যবাসীর।
উল্লেখ্য, তবে এরাজ্যেই প্রথম নয়। আগেই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উদ্যোগে সে রাজ্যে শুরু হয়েছে জনতার দরবার। মধ্যপ্রদেশেও জনতার দরবারে আমজনতার অভাব অভিযোগ শোনেন মুখ্যমন্ত্রী। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীও সরাসরি রাজ্যবাসীর কথা শোনেন। তবে সেই কর্মসূচির নাম 'জনশুনানি'। এবার বাংলাতেও শুরু হতে চলেছে একই কর্মসূচি।
