শুক্রবারই হাজিরা দিয়েছিলেন ইডি দপ্তরে। ৫ দিনের মাথায় দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুকে ফের তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবারই তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ৬ মে তাঁকে আবার আসতে হবে সিজিও কমপ্লেক্সে। সূত্রের খবর, সেদিন তাঁকে একাধিক নথি নিয়ে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। একদিনেই ডাকা হয়েছে রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী রথীন ঘোষকেও।
প্রসঙ্গত, পুর নিয়োগ মামলায় আগেও একাধিকবার তলব করা হয়েছিল সুজিত বসুকে। তিনবার হাজিরা এড়িয়ে অবশেষে শুক্রবার হাজিরা দিয়েছিলেন মন্ত্রী। ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে যেতে পারবেন না বলে হাই কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন সুজিত। কোর্টের অর্ডার মতো ভোট মিটতেই ১ মে সকালে ইডি দপ্তরে পৌঁছে যান তিনি। একা নন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুত্র সমুদ্র বসুও। শুক্রবার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর ইডির দপ্তর থেকে বেরিয়ে সুজিত বলেছিলেন, "আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম। তদন্তে সহযোগিতার জন্য ডাকা হলে অবশ্যই আসব। কখনও যেন হেনস্থার জন্য ডাকা না-হয়। ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।"
উল্লেখ্য, একই মামলায় সুজিতের সঙ্গে রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী রথীন ঘোষকেও বুধবার ফের তলব করেছে ইডি। পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেও একাধিকবার তাঁকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তিনিও সময় চেয়েছিলেন ইডির কাছে। ২০২৩ সালে প্রথম পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মন্ত্রী রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মন্ত্রী সুজিত বসুর বাড়ি, অফিসেও অভিযান চলেছিল। এবার ভোটের ফল প্রকাশের একদিন পরেই ফের রাজ্যের দুই হেভিওয়েট মন্ত্রীকে তলব করা হয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কিছু তথ্য হাতে পেতে চান এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা।
