shono
Advertisement

Breaking News

Germany

ইরান সংকটে ন্যাটোয় ভাঙন! জার্মানি থেকে ৫০০০ সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা আমেরিকার

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর। এই ঘটনায় যারপরনাই রুষ্ট হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই কড়া পদক্ষেপ আমেরিকার।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 03:32 PM May 02, 2026Updated: 03:32 PM May 02, 2026

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর। এই ঘটনায় যারপরনাই রুষ্ট হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপরই কড়া পদক্ষেপ আমেরিকার। জার্মানি থেকে প্রায় ৫০০০ সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এই ঘটনা ন্যাটোয় ফাটলের স্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

ইরান যুদ্ধ নিয়ে সম্প্রতি আমেরিকার সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মার্জ। তিনি বলেন, "আমেরিকার কাছে কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। ওরা জানেই না এই যুদ্ধ থেকে কীভাবে বাইরে বেরতে হবে। ইরান আলোচনা ঝুলিয়ে দিতে দক্ষ। অন্যদিকে, আমেরিকাকে ফলাফলের প্রত্যাশা ছাড়াই ইসলামাবাদে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এই ঘটনায় আমেরিকা ইরানের দ্বারা অপমানিত।" জার্মানির এই মন্তব্যে যারপরনাই ক্ষুব্ধ হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বলেন, "মার্জ অত্যন্ত খারাপ কাজ করছেন। ওনার মনে হচ্ছে ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত। বাস্তব পরিস্থিতি সম্পইরকে ওনার কোনও বোধ নেই।" পাশাপাশি আরও বলেন, " ইরান যুদ্ধ নিয়ে চিন্তা না করে ওনার উচিত নিজের ভেঙে পড়া দেশের দিকে মনোযোগ দেওয়া।"

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এই ঘটনা ন্যাটোয় ফাটলের স্পষ্ট ইঙ্গিত বলে দাবি করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই বাক-বিতণ্ডতার পরই জার্মানির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল আমেরিকা। এই দেশ থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা করা হল। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত জার্মানিতে ৩৬০০০ মার্কিন সেনা ছিলেন। অর্থাৎ জাপানের পর সবচেয়ে বেশি মার্কিন সেনা রয়েছে এই দেশে। জাপানে রয়েছে ৫৫০০০ সেনা। এই অবস্থায় জার্মানি থেকে ৫০০০ সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা করল আমেরিকা।

উল্লেখ্য, জার্মানিতে মার্কিন সেনার আনাগোনা শুরু হয়েছিল ১৯৪৫ সাল থেকে। হিটলারের নাৎসি বাহিনীর হারের পর আমেরিকা দেশটির দখল নেয়। সেই সময় ১৬ লক্ষ মার্কিন সেনা ছিল জার্মানিতে। পরে তা কমিয়ে ৩ লক্ষ করা হয়। তখন এদের কাজ ছিল নাৎসি মতাদর্শকে শেষ করা। পরে ঠান্ডা লড়াইয়ের সময় মার্কিন সেনার উদ্দেশ্য বদলে সোভিয়েতের বিরুদ্ধে শক্তিশালী কবচে পরিণত হয় সেই সেনা। ১৯৪৯ সালে ন্যাটো তৈরির পর এখানে স্থায়ী মার্কিন ঘাঁটি তৈরি হয়। বর্তমানে এখানে ৫০টির বেশি বড় সামরিক ঘাঁটি ও ৮০০-র বেশি ছোট ঘাঁটি রয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement