দমদম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডের (Kolkata Airport Fire) ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল মঙ্গলবার ভোরে। বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি বিল্ডিংয়ে আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে। সঙ্গে সঙ্গে দমকল বিভাগে খবর পাঠানো হয়। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগায়। বিশেষ কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে বিমানবন্দর সূত্রে। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, এটিসি বিল্ডিংয়ের টুনি লাইট থেকে শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লেগেছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও দমকল সূত্রে খবর, ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তেরঙ্গা টুনি লাইট দিয়ে এটিসি বিল্ডিং সাজানো হয়েছিল। সেই লাইট থেকেই কোনওভাবে শট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে সেরকমই অনুমান করা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
দমদম বিমানবন্দরের এই এটিসি বিল্ডিংয়ের তিনতলায় আগুন লাগে, নিজস্ব ছবি
মঙ্গলবার ভোর, ঘড়িয়ে তখন প্রায় ৪টে। হঠাৎ দমদম বিমানবন্দরের এটিসি বিল্ডিংয়ের তিনতলা থেকে আগুনের ফুলকি দেখতে পান কর্মীরা। নিমেষের মধ্যে আগুনের তীব্রতা বাড়ে। দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে বিল্ডিংয়ের তিনতলার একাংশ। সেইসঙ্গে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিমানবন্দরে থাকা দমকলের একটি ইঞ্জিন। প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও দু’টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
দমদম বিমানবন্দরে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি বিল্ডিংয়ের আটতলা থেকে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ রানওয়েতে বিমান ওঠানামা থেকে শুরু করে গন্তব্যে বিমানের অবতরণ পর্যন্ত এটিসি-র অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন পাইলটরা। কোন বিমান কতটা উচ্চতায় যাবে, পথ নির্দেশিকা ঠিক করে দেন এটিসির আধিকারিকরা। পাইলটদের মেসেজও পাঠানো হয়। মূলত, বিমান চলাচলের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকে এই এটিসির উপর। তাই এই বিল্ডিংয়ে অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটলে বিমান চলাচল স্বাভাবিকভাবে কিছুটা ব্যাহত হবে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও দমকল সূত্রে খবর, ১৫ আগস্ট, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তেরঙ্গা টুনি লাইট দিয়ে এটিসি বিল্ডিং সাজানো হয়েছিল। সেই লাইট থেকেই কোনওভাবে শট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে সেরকমই অনুমান করা হচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
