shono
Advertisement
Sujit Bose

আপাতত জেলমুক্তি নয়, হাই কোর্টে আরও বিপদ বাড়ল সুজিতের

তদন্তকারীদের দাবি, দমদম পুরসভায় শতাধিকের বেশি চাকরিপ্রার্থীর নাম বেআইনিভাবে সুপারিশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকাও লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে যদিও আরও নিশ্চিত হতে সুজিত বসুর অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Published By: Sayani SenPosted: 05:18 PM Jun 15, 2026Updated: 07:23 PM Jun 15, 2026

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। জামিন মামলায় সোমবারও মিলল না অন্তর্বর্তী জামিন। তার ফলে আজও স্বস্তি পেলেন না সুজিত।
বরং মামলায় পালটা যুক্তি দিতে চায় ইডি। আগামী ২৯ জুনের মধ্যে ইডিকে পালটা যুক্তি দিতে সময় দিল কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আগামী ১ জুলাই দুপুর দুটোয় মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা।

Advertisement

সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে সুজিত বসু জামিনের মামলা ওঠে। ইডির তরফে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। সুজিত বসুর হয়ে এদিন হাই কোর্টে সওয়াল করেন অভিষেক মনু সিংভি। তিনি ইডির দাবির তীব্র বিরোধিতা করেন। তাঁর সওয়াল, "গত ২০২৩ সালের ইডি মামলা। প্রায় সাড়ে তিন বছর তদন্তে ডাকেনি ইডি। জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব সামলেছেন মক্কেল। দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব সামলেছেন। ২০২৬ সালের মে মাসে দু'বার তাঁকে তলব করা হয়। দ্বিতীয় হাজিরার দিন গত ১১ মে গ্রেপ্তার করা হয় সুজিতকে। গ্রেপ্তারির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।" ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী পালটা মামলা সংক্রান্ত জবাবদিহি দেওয়ার সময় চান। আগামী ২৯ জুনের মধ্যে ইডিকে জবাবদিহির সময় দিয়েছে হাই কোর্ট।

উল্লেখ্য, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই ইডির স্ক্যানারে ছিলেন সুজিত বসু। অর্থের বিনিময়ে নিয়োগের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলার তদন্তের স্বার্থে গত ৬ এপ্রিল, ভোটের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন থেকে শুরু করে বিধানসভা ভোটপর্বের মধ্যে একাধিকবার ইডির তরফে হাজিরার নোটিস পান রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু (Sujit Bose)। তখন নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন বলে সময় চেয়ে হাই কোর্টের দারস্থ হয়েছিলেন তিনি। আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচন চলাকালীন ইডির হাজিরা এড়িয়ে ছিলেন তৃণমূল নেতা। তবে ভোট মিটতেই পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেন তিনি। কয়েক দফায় জেরাও করা হয় সুজিত বসুকে। তল্লাশি চলে তাঁর বাড়ি এবং অফিসেও।

এরপর গত ১১ মে প্রাক্তন মন্ত্রীকে দীর্ঘ জেরা শেষে গ্রেপ্তার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন সুজিত বসু। তদন্তকারীদের দাবি, দমদম পুরসভায় শতাধিকের বেশি চাকরিপ্রার্থীর নাম বেআইনিভাবে সুপারিশ করেছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। শুধু তাই নয়, এক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকাও লেনদেন হয়েছে। এই বিষয়ে যদিও আরও নিশ্চিত হতে সুজিত বসুর অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement