shono
Advertisement
Mamata Banerjee

কালীঘাটের বৈঠকে কুণাল-অভিষেক তীব্র বাদানুবাদ, পরিস্থিতি সামাল দিলেন মমতা!

বিজেপির মন্ত্রী তাপস রায়ের কথায়, “ও যেদিকেই থাকুক, ও একটা বোঝা, লায়াবিলিটি। এটা যার বোঝার সে বুঝুক।”
Published By: Kousik SinhaPosted: 11:27 PM Jun 13, 2026Updated: 11:27 PM Jun 13, 2026

সুদীপ বন্দ্যোপাধ‌্যায় ও সায়নী ঘোষকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পরেই তীব্র বাদানুবাদে জড়ালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ‌্যায় ও কুণাল ঘোষ। শনিবার যার জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের ডাকা কর্ম সমিতির বৈঠক। সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে একটি বিষয়ে দল অবিলম্বে পদক্ষেপ করুক, কুণাল এমন দাবি করতেই অভিষেক একটি বিলম্বিত ফর্মুলা দিয়ে বলেন, ‘পরে দেখে নেওয়া হবে’। এতেই কুণাল অভিষেকের উদ্দেশে বলে ওঠেন ‘লেবু কচলে তেতো করবেন না’। এতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

Advertisement

কল‌্যাণ আবার বলেছেন, রোজভ‌্যালি-ইডি থেকে বাঁচতে প্রলোভনে পা দিয়েছেন সুদীপ। তাঁর কথায়, ''সুদীপদার এরকম করার পুরনো অভ্যাস আছে। আগেও উনি তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যান, সুবিধা বুঝে ফিরেও আসেন। দিদি অন্ধের মতো সুদীপদাকে সমর্থন করতেন।'' 

কুণালকে অভিষেক বলেন, ‘তুমি সুমিত রায়ের সম্পর্কে সংবাদমাধ‌্যমে বিরূপ বিবৃতি দিয়েছ, আমাকে নিয়েও বলেছ’। সুমিত অভিষেকের সচিব। কুণাল বলেন, ‘একশোবার দিয়েছি। সুমিত দলের কেউ নন। তাঁকে ডিফেন্ড করতে পারব না। কিন্তু তোমাকে নিয়ে কিছু বলিনি’। তখনই কথা কাটাকাটি ওঠে চরমে। এহেন পরিস্থিতিতে আসরে নামেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়। দু'জনকে শান্ত করে বলেন, ‘এখন মাথা ঠান্ডা করে কাজ করতে হবে’। শেষে দুজনকে সামলান কল‌্যাণ বন্দ্যোপাধ‌্যায়। 

এদিনই উত্তর কলকাতার সভাপতি করা হয়েছে কুণাল ঘোষকে। যুব সভাপতি করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কর্ম সমিতিতে ঢুকেছেন সাংসদ সৌগত রায়ও। অন‌্যদিকে, মমতা-শিবিরের কাছে একের পর এক তোপের মুখে পড়েছেন সুদীপ। তীব্র কটাক্ষে সুদীপ আর তাঁর পত্নী নয়নাকে বিঁধেছেন কুণাল। কল‌্যাণ আবার বলেছেন, রোজভ‌্যালি-ইডি থেকে বাঁচতে প্রলোভনে পা দিয়েছেন সুদীপ। তাঁর কথায়, “সুদীপদার এরকম করার পুরনো অভ্যাস আছে। আগেও উনি তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যান, সুবিধা বুঝে ফিরেও আসেন। দিদি অন্ধের মতো সুদীপদাকে সমর্থন করতেন। শুধুমাত্র সুদীপদার কথা ভেবে সবার অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছিলেন। সুদীপদার অতিরিক্ত দাপটের কারণেই যোগ্য নেতা তাপস রায়ও দল ছাড়তে বাধ্য হন। দল ক্ষমতা হারাতেই সেই নেত্রীকে ছেড়ে চলে গেলেন। বাংলার মানুষ ও কর্মীরা এই বিশ্বাসঘাতকতা মনে রাখবে।”

বিজেপির মন্ত্রী তাপস রায়ের কথায়, “ও যেদিকেই থাকুক, ও একটা বোঝা, লায়াবিলিটি। এটা যার বোঝার সে বুঝুক।” সুদীপ-নয়নাকে কুণালের কটাক্ষ, “ওঁর যাওয়া মানে বাই ওয়ান গেট ওয়ান ফ্রি। একজন পরচুলওয়ালা লোক নয়, তার সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ বিউটি পার্লার পাওয়া যাবে।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement