shono
Advertisement
New Town

নিউটাউনে কুবেরের ধন! তিন ট্রলিভর্তি টাকা উদ্ধার, ১২ ঘণ্টা তল্লাশি শেষে মিলল আর কী?

সোমবার রাত থেকে নিউটাউনের একটি গেস্ট হাউসে পুলিশের তল্লাশি চলে। উদ্ধার হওয়া টাকা গোনা হয় ৬টি মেশিনে।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 10:30 AM Jul 14, 2026Updated: 10:55 AM Jul 14, 2026

এ যেন কুবেরের ধন! নিউটাউনের গেস্ট হাউস থেকে উদ্ধার রাশি রাশি টাকার বাণ্ডিল, গাড়ি, স্কুটি। সোমবার রাত থেকে শুরু হওয়া পুলিশের তল্লাশি শেষ হয়েছে প্রায় ১২ ঘণ্টা পর। আর তাতেই উদ্ধার হয়েছে ২ কোটির বেশি নগদ টাকা। তা গুনতে ছ'টি মেশিন আনা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তিন ট্রলিভর্তি সেই অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া বাজেয়াপ্ত হয়েছে একটি গাড়ি ও স্কুটি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছে এক মহিলা-সহ ৭। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভিনরাজ্যের বলে জানা গিয়েছে। কীসের অর্থ? তার উৎস সন্ধানে নেমেছে পুলিশ। প্রাথমিক অনুমান, এর সঙ্গে হাওয়ালা যোগ অথবা সাইবার প্রতারণার যোগ থাকতে পারে। ওই গেস্ট হাউসের মালিকের পরিচয়ও জানা গিয়েছে বলে খবর।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিউটাউনের ২০ নং ট্যাঙ্কের বালিগড়ি এলাকার কাছে ওই গেস্ট হাউস থেকে উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ ২ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৫ হাজার। রাতেই টাকা গোণার মেশিন এনে হিসেব করেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসের মালিকের নাম প্রসন্নকুমার রায়। তবে তিনি কে, কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, গেস্ট হাউসের সামনে থাকা একটি গাড়ি ও স্কুটির মালিক কে, তাও এখনও অজ্ঞাত। 

সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিউটাউনের ২০ নং ট্যাঙ্কের কাছে বালিগড়ি এলাকার ওই গেস্ট হাউস থেকে উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ ২ কোটি ২৭ লক্ষ ৮৫ হাজার। রাতেই টাকা গোণার মেশিন এনে হিসেব করেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, গেস্ট হাউসের মালিকের নাম প্রসন্নকুমার রায়। তবে তিনি কে, কোথায় আছেন, সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, গেস্ট হাউসের সামনে থাকা একটি গাড়ি ও স্কুটির মালিক কে, তাও এখনও অজ্ঞাত। যদিও সেসব বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। 

কিন্তু এত টাকার উৎস কী? কোথায় লেনদেন হচ্ছিল? তা তদন্তসাপেক্ষ। প্রাথমিকভাবে হাওয়ালা যোগ পাওয়া গেলেও আরেকটি তথ্যও ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। শোনা যাচ্ছে, কলসেন্টারের নাম করে টাকা তোলা হতো এবং তা জমিয়ে রাখার নিরাপদ আশ্রয় ছিল নিউটাউনের এই গেস্ট হাউসটি। এমনভাবেই তা করা হতো যাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের কারও কিছু সন্দেহ হয়নি কখনও। জামতাড়া গ্যাংয়ের কায়দায় চক্রটি চলত বলে মনে করা হচ্ছে।সবমিলিয়ে,  নিউটাউনের গেস্ট হাউসে এত বিপুল অর্থভাণ্ডারের খোঁজ পেয়ে উৎস খুঁজতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement