গোবিন্দ রায়: কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে প্রায় দু'যুগ বাদে বন্দিদশা কাটতে চলেছে খাদিম-কর্তা অপহরণ কাণ্ডে জেলবন্দি আখতার হোসেনের। বৃহস্পতিবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ আখতারকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়েছে।

আখতারের আইনজীবীর দাবি, হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ তাঁর মক্কেলকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে জানিয়েছে, যে বন্দুক দিয়ে খাদিম-কর্তার হাতে গুলি করা হয় তা তিনিই সরবরাহ করেছিলেন এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি। আখতার ভূতবাংলোয় খাদিম-কর্তার পাহারায় ছিলেন বলেও প্রমাণ মেলেনি। এ ছাড়া তাঁকে কোনও সাক্ষী আদালতে শনাক্তও করতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, ২০০১-এর ২৫ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ খাদিম গ্রুপের অন্যতম কর্ণধার পার্থপ্রতিম রায় বর্মনকে তাঁদের তপসিয়া রোডের গোডাউনে যাওয়ার সময় অপহরণ করে সশস্ত্র কয়েকজন দুষ্কৃতী। ২০০১ সালের খাদিম-কর্তা অপহরণ মামলায় ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর আখতার-সহ মোট ৮ জনকে যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছিল নিম্ন আদালত। সেই থেকে সে যাবজ্জীবন কারাবাসে রয়েছে। নিম্ন আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে গত ১৬ জানুয়ারি হাই কোর্টে তাঁর আনা আপিল মামলার শুনানি শেষ হয়। মামলার রায়দান স্থগিত রাখে হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা হয়। অপহরণ, ষড়যন্ত্র ও অস্ত্র আইনে দোষী সাব্যস্তদের মধ্যে ১২ বছর পর বেকসুর খালাস পেলেন আখতার।