shono
Advertisement
Kolkata

আর্থিক তছরূপ মামলায় ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে জয় কামদার

আইনজীবী মারফৎ এদিন ইডি আদালতে জানায়, ইতিমধ্যে ধৃত জয় এস কামদারের ফোন পরীক্ষা করে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, মোবাইল চ্যাট থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 04:25 PM Apr 20, 2026Updated: 05:37 PM Apr 20, 2026

আর্থিক তছরূপ মামলায় বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারকে নিজেদের হেফাজতে নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরে রবিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। গ্রেপ্তারের পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন জয়। যদিও আজ সোমবার আদালতে তোলা হলে বেহালার এই ব্যবসায়ীকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায় ইডি। পালটা জামিনের আবেদনও জানান জয়ের আইনজীবীও। যদিও সেই আবেদন খারিজ করে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তবে এদিন মামলার শুনানিতে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

Advertisement

আইনজীবী মারফৎ এদিন ইডি আদালতে জানায়, ইতিমধ্যে ধৃত জয় এস কামদারের ফোন পরীক্ষা করে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। শুধু তাই নয়, মোবাইল চ্যাট থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। আর তাতে হাওয়ালা যোগ স্পষ্ট বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এমনকী মালয়েশিয়া, ইউকে, দুবাইয়ের হাওয়ালা অপারেটরদের সঙ্গেও ধৃত ব্যবসায়ীর কথাবার্তার যোগ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ধৃত জয়ের যোগসাজস নিয়েও এদিন আদালতে বিস্ফোরক দাবি করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পুর অ্যাকাউন্টে দেড় কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন জয় এস কামদার। যার ৪০ কোটি টাকা একটি এডুকেশন সোসাইটি থেকে এসেছিল বলে দাবি। কিন্তু সেই টাকা কেন এসেছিল সে বিষয়ে কোনও তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয়, সোনা পাপ্পুর অ্যাকাউন্ট থেকেও কোটি কোটি টাকা জয়ের অ্যাকাউন্টে এসেছিল। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে জয়ের দাবি ছিল, মাত্র ১৫ লক্ষ টাকা নাকি পেয়েছিলেন। ফলে জেরার একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে বলে দাবি।

শুধু তাই নয়, সন্দেহজনক একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিসও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। ফলে জয়ের জামিনের বিরোধীতা করেন এদিন ইডির আইনজীবী। শুধু তাই নয়, জয় জামিন পেলে প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাপ্রকাশ করেন তাঁরা।

এদিকে জয়ের আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত আদালতে জানান, যে চারটি মামলার উপর ভিত্তি করে ইডি তদন্ত চালাচ্ছে, তার একটি চার্জশিটেও জয়ের নাম নেই। শুধু তাই নয়, ইডির তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়েও এদিন প্রশ্ন তোলেন আইনজীবী। সবপক্ষের সওয়াল জবাব শেষে আদালত আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত জয়ের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল আদালত। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার