shono
Advertisement

Breaking News

Kolkata Police

শীতে গোয়েন্দা কুকুরদের পরনে হুডি জ্যাকেট ও উলের সোয়েটার, ঠান্ডা থেকে বাঁচতে বিশেষ ব্যবস্থা

শরীরে তাদের নরম লোম। তবু ঠান্ডায় কিছুটা হলেও কাবু হয়েছে কলকাতা পুলিশের সারমেয় বাহিনীর সদস্যরা। এক ফুট উঁচু খাটে কম্বল গায়ে ঘুম
Published By: Anustup Roy BarmanPosted: 08:43 AM Jan 16, 2026Updated: 08:43 AM Jan 16, 2026

ঠান্ডায় শরীর খারাপ হতে পারে তাদের। তাই ভোররাত বা বেশি রাতে কোনও ডিউটিতে বের হলেই কান ঢাকা 'হুডি জ্যাকেট' পরতে হচ্ছে তাদের। আর ঠান্ডা থেকে বাঁচতে তাদের মেঝেয় পাতা কম্বলে ঘুম নয়। তাদের জন্য এল এক ফুট উঁচু বিশেষ খাট।

শরীরে তাদের নরম লোম। তবু ঠান্ডায় কিছুটা হলেও কাবু হয়েছে কলকাতা পুলিশের সারমেয় বাহিনীর সদস্যরা। রাতবিরেত হোক, অথবা ভোররাত। কোনও সন্দেহজনক বস্তুর হদিশ মিলুক অথবা খুনের মতো কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটুক, জরুরি কাজে যে কোনও সময়ই বাইরে বের হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে গোয়েন্দা কুকুরদের। কিন্তু সারা বছরের মতো শীতকালেও যদি একইভাবে তাদের বের করা হয়, তখন ঠান্ডা লেগে তাদের শরীর খারাপ হতে সময় লাগবে না। তাই এই শীতে কলকাতা পুলিশের ডগ স্কোয়াডের প্রত্যেক সদস্যের শরীরেই উঠেছে উলের সোয়েটার। বিশেষ করে বিকেলের পর রোদ পড়ে গেলেই হ্যান্ডলাররা তাদের সযত্নে উলের জ্যাকেট তথা সোয়েটার পরিয়ে দেন। কিন্তু রাতবিরেত বা ভোররাতে ঠান্ডায় তাদের পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের কেনেলের বাইরে বিশেষ ডিউটিতে বের করা হলে তাদের পরানো হয় বিশেষ জ্যাকেট। মানুষের মতোই এই জ্যাকেটে রয়েছে 'হুড'। এই 'হুডি' মাথা আর কান ঢেকে ফেলে সারমেয়দের। তার ফলে ঠান্ডা হাওয়া কান দিয়ে প্রবেশ করতে পারে না ভিতরে।

Advertisement

সাধারণত বছরের বেশিরভাগ সময় কেনেলের ভিতর নিজেদের ঘরে মেঝের উপর ম্যাটের বিছানায় ঘুমায় গোয়েন্দা কুকুর। কিন্তু শীত পড়তেই তাদের ঘরে রাখা হয়েছে বিশেষ খাট। মেঝে থেকে এক ফুট উঁচু এই খাট তাদেরই মাপের। ওই বিছানার উপর রয়েছে ম্যাট। তার উপর বিছানো হয়েছে কম্বল। সেই বিছানায় সারমেয় শুয়ে পড়ার পর তাদের শরীর কম্বলে ঢেকে দেন হ্যান্ডলাররা। প্রত্যেকদিন সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত তাদের ঘুমানোর সময়। এর পর তাদের কেনেল থেকে বাইরে বের করা হয়।

বাইরের উঠোন ও কেনেল চত্বরেই চলে তাদের শরীরচর্চা, যা তাদের শরীর গরম রাখে। তবে হাঁটা, দৌড়ানোর মতো শরীরচর্চা করলেও শীতকালে সাঁতার একেবারেই বন্ধ। তারা যে সময় শরীরচর্চায় ব্যস্ত থাকে, তারই ফাঁকে তাদের বিছানা পরিষ্কার করা হয়। ম্যাট ও কম্বলগুলি ঝেড়ে ফেলা হয়। প্রয়োজনে সেগুলি রোদেও দেন পুলিশকর্মীরা। কম্বলে যাতে উকুন বা ছোট পোকা না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর থাকে ডগ স্কোয়াডের আধিকারিকদের। খাবারের উপরও বিশেষ নজর দেওয়া হয়। কোনওমতেই যাতে তারা ঠান্ডা জল না খায়, সেদিকে নজর রাখতে হয় গোয়েন্দাকর্মীদের। বরং ইষৎ উষ্ণ জল তাদের দেওয়া হয়।

এ ছাড়াও গোয়েন্দা কুকুরদের মেনুতে প্রত্যেকদিন গড়ে থাকে ৪০০ গ্রাম মাংস। তার সঙ্গে একটি করে ডিমসিদ্ধ তাদের জন্য বরাদ্দ থাকে। দাঁত শক্ত রাখার জন্য মেনুতে মাংসের হাড়ও থাকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement