shono
Advertisement
LPG Crisis

গ্যাসে নয়, পুলিশের বারাকে রান্না হবে ইন্ডাকশনে! সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুখতে তৎপর লালবাজার 

পুলিশের মূল নজর শহরের গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনের উপর। আধিকারিকরা গ্যাস সিলিন্ডারের স্টক মিলিয়ে দেখছেন। গ্রাহকদের অর্ডারের বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার পাচার হচ্ছে কি না, বা বেশি দামে বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেদিকে রয়েছে পুলিশের নজর।
Published By: Kousik SinhaPosted: 11:00 AM Mar 12, 2026Updated: 07:34 PM Mar 12, 2026

যুদ্ধের আঁচে দেশে জ্বালানি গ্যাসের সংকট (LPG Crisis)। বাংলার আনাচেকানাচেও পড়েছে তার প্রভাব। কোথাও কোথাও এলপিজি সমস্যায় রান্নাবান্না রীতিমতো বন্ধের পথে। ঝাঁপ বন্ধ হচ্ছে বহু হোটেল, রেস্তরাঁয়। এমনকী সড়ক পরিবহণেও জ্বালানি সমস্যার প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যে রাস্তাঘাটে অটোয় বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে নিত্যযাত্রীদের। মানুষের দুর্দশার সুযোগ নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে গ্যাসের কালোবাজারি। যদিও এই বিষয়ে বুধবারই কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই রান্নার গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে ময়দানে লালবাজার। শহরের প্রত্যেক থানাকে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ। একইসঙ্গে পুলিশ বারাকগুলিতে বিকল্প জ্বালানি অর্থাৎ ইন্ডাকশন, মাইক্রোওভেন ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement

পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, কলকাতায় যাতে গ‌্যাসের সঙ্কট না হয়, তার জন্য কালোবাজারি বন্ধের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে লালবাজারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ডিভিশনের ডিসিকে সতর্ক করা হয়েছে। ডিভিশনের ডিসিরাও তাঁদের আওতায় থাকা থানাগুলিকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে নজরদারি শুরু করেছেন কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখার আধিকারিকরাও। পুলিশের মূল নজর শহরের গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনের উপর। আধিকারিকরা গ্যাস সিলিন্ডারের স্টক মিলিয়ে দেখছেন। গ্রাহকদের অর্ডারের বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার পাচার হচ্ছে কি না, বা বেশি দামে বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করা হচ্ছে কি না, সেদিকে রয়েছে পুলিশের নজর। এছাড়াও বাড়িতে ব্যবহার হওয়া রান্নার গ্যাস কোনও ব‌্যবসায়িক কাজে লাগানো হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখছেন থানার আধিকারিকরা। বেআইনিভাবে যদি কেউ গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করে রাখে তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে।

লালবাজারের পক্ষ থেকে প্রত্যেক ডিভিশনের ডিসিকে সতর্ক করা হয়েছে। ডিভিশনের ডিসিরাও তাঁদের আওতায় থাকা থানাগুলিকে নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে নজরদারি শুরু করেছেন কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট শাখার আধিকারিকরাও। পুলিশের মূল নজর শহরের গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনের উপর।

এর আগেও শহরে পুলিশ আধিকারিকরা এমন কিছু চক্রের সন্ধান পেয়েছিল, যারা রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার থেকে নিজস্ব পদ্ধতিতে গ্যাস বের করে ছোট সিলিন্ডারে ভরে বিক্রি করে। আবার অনেক সময় তা পরিবহণের কাজেও লাগানো হয়। এমন চক্রের উপরেও পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ বারাকগুলিতেও নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে যাতে গ্যাসের আকাল তৈরি না হয় সেজন্য বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement