আমেরিকার পর এবার কানাডা। ফের বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) মাঝেই দেশে ঢুকতে বাধা ফুটবলারকে। এবার ঘানার ফুটবলার ও সহ-অধিনায়ক থমাস পার্টেকে (Thomas Partey) দেশে ঢোকার অনুমতি দিল না কানাডা সরকার। অর্থাৎ পানামার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে পার্টে খেলতে পারবেন না। কিন্তু আমেরিকায় আয়োজিত পরের ম্যাচগুলোয় খেলতে পারবেন। প্রশ্ন হল, কেন পার্টেকে নিয়ে এরকম অবস্থা?
ভারতীয় সময় ১৮ জুন ভোরে পানামার বিরুদ্ধে নামবে আফ্রিকার দেশ। সেখানে আর্সেনালের প্রাক্তন ফুটবলারকে পাবে না ঘানা। শুক্রবার ফিফা জানিয়ে দিয়েছে, রোড আইল্যান্ডে দলের বেস ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার ছাড়পত্র পাবেন না ৩২ বছর বয়সি ফুটবলার। কানাডা সরকার তাঁর ভিসার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে ফিফা দায় ঝেড়ে দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, কাউকে ভিসা দেওয়া সেই দেশের সরকারের সিদ্ধান্ত।
আসলে ২০২৫ সালে ইংল্যান্ডে পাঁচটি ধর্ষণ ও একটি যৌন হেনস্তার অভিযোগ ওঠে পার্টের বিরুদ্ধে। ২০২১-২০২২ সালে লন্ডনে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে অভিযোগ। এরপর ২০২০ সালে আরও একটি ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। জামিনে ছাড়া পেলেও ইংল্যান্ডের আদালত তাঁর উপর কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। চলতি বছরের নভেম্বরে ফের পার্টের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। যেখানে তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।
তবে কানাডা সরকার সরাসরি এই বিষয়টা প্রকাশ্যে আনেননি। তারা জানিয়েছে, "আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, সেই মতো যে আইন প্রযোজ্য হয়, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা কানাডার সমস্ত নাগরিকের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চাই। কানাডা নিজের অবস্থানে অটল। বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করলেও অভিবাসন সংক্রান্ত নীতি বদলাবে না।" তবে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ঘানার পরের ম্যাচগুলো আমেরিকায়। সেখানে খেলতে পারবেন পার্টে।
