রাজ্যে বিজেপির সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর বিরোধীদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের রীতি ফিরেছে। অযথা উপেক্ষা নয়, বরং প্রয়োজন মতো তাঁদের পরামর্শ গ্রহণ করে হাতে হাত মিলিয়ে কাজে আগ্রহী রাজ্য সরকার। তারই প্রমাণ মিলল বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে রাজ্য সরকারি হাসপাতালের পদে আমন্ত্রণের ঘটনায়। সূত্রের খবর, বিধানচন্দ্র রায় শিশু হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির পদে আহ্বান জানানো হয়েছে কুণাল ঘোষকে। তিনি সেই আহ্বান গ্রহণ করে জানিয়েছেন, দায়িত্ব আনন্দ সহকারে গ্রহণ করছেন। নিজের বিধানসভা এলাকার ঐতিহ্যবাহী হাসপাতালের খোঁজখবর রাখা তাঁর কর্তব্য বলেও জানান কুণালবাবু।
এনিয়ে কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “বিধানচন্দ্র শিশু হাসপাতাল বেলেঘাটার একটি ঐতিহ্যশালী শিশু হাসপাতাল। বেলেঘাটার বিধায়ক হিসেবে এই হাসপাতালের ভালো-মন্দের খোঁজ রাখা ও সুষ্ঠু পরিষেবার ব্যাপারে আমারও দায়িত্ব রয়েছে। তাই রোগী কল্যাণ সমিতিতে সদস্য করার ব্যাপারে যে প্রস্তাব এসেছে, তা আমি গ্রহণ করে নেব।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের জমানায় প্রায়শয়ই অভিযোগ উঠত, স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষাক্ষেত্র সর্বত্রই স্বজনপোষণ হয়। হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতিতেও দলেরই পদাধিকারীরা থাকেন। অন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয় না। এই অভিযোগে এবার ইতি পড়তে চলেছে। বিজেপি সরকার গড়লেও বিরোধী তৃণমূলকে সমস্ত কাজেই পাশে পেতে আগ্রহী। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার এই বার্তা দিয়েছেন, বিরোধীদের পরামর্শ নিয়েই উন্নয়নের কাজ হবে। সেইমতোই বিসি রায় শিশু হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির একটি পদে থাকার জন্য আমন্ত্রণ পৌঁছেছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়কের কাছে।
এনিয়ে কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, “বিধানচন্দ্র শিশু হাসপাতাল বেলেঘাটার একটি ঐতিহ্যশালী শিশু হাসপাতাল। বেলেঘাটার বিধায়ক হিসেবে এই হাসপাতালের ভালো-মন্দের খোঁজ রাখা ও সুষ্ঠু পরিষেবার ব্যাপারে আমারও দায়িত্ব রয়েছে। তাই রোগী কল্যাণ সমিতিতে সদস্য করার ব্যাপারে যে প্রস্তাব এসেছে, তা আমি গ্রহণ করে নেব।” বিজেপি সরকারের প্রস্তাব এভাবে সাদরে গ্রহণ করে নেওয়া তৃণমূল বিধায়কের প্রশংসা চলছে সব মহলে। অনেকেই বলছেন, তৃণমূলের বাকি জনপ্রতিনিধিরাও যদি এভাবে রাজনৈতিক বিরোধিতা ভুলে একসঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেন, সেটাই হবে আদর্শ পরিবেশ।
