পরীক্ষা শুরু হতে আর এক সপ্তাহ বাকি। এই শেষ মুহূর্তে ফের নাম নথিভুক্তিকরণের প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ত্রুটি সংশোধন এবং নতুন করে নাম নথিভুক্তিকরণের জন্য আবার পোর্টাল চালু করছে পর্ষদ। কারণ, বহু পরীক্ষার্থীর নাকি নাম জমা পড়েনি! অভিযোগ, বেশ কিছু স্কুলের তরফে ভুল নাম জমা দেওয়া হয়েছে। তাদের গাফিলতির কারণেই এই সমস্যার সূত্রপাত।
শনিবার পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়, ২৭ জানুয়ারি দুপুর ১২টা থেকে ২৮ জানুয়ারি দুপুর ১২টা পর্যন্ত পর্যদের ওয়েবসাইট মারফত পড়ুয়াদের নাম নথিভুক্তিকরণের সুযোগ থাকছে। এছাড়া যে সমস্ত স্কুল পড়ুয়াদের ভুল তথ্য জমা দিয়েছে, তা-ও সংশোধন করা যাবে ওই সময়সীমার মধ্যে। ২৯ জানুয়ারি স্কুলগুলিকে লেট ফি জমা দিয়ে পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করে নিতে হবে।
কারা এই সুযোগ পাবে? টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ, নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে ন্যূনতম ৭০% উপস্থিতি, স্কুলের গাফিলতির কারণে বঞ্চিত ছাত্রছাত্রী নাম ঠিক করে নিতে পারবে। তবে এনরোলমেন্ট হবে নিজ নিজ স্কুলের মাধ্যমে। এর জন্য ফি ও লেট ফাইন দিতেই হবে। পর্যদ জানিয়েছে, দোষী স্কুলগুলির বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে নবম শ্রেণিতে মাধ্যমিকের রেজিস্ট্রেশন করাতেই হয়। অকৃতকার্য পড়ুয়াদের জন্য আলাদা করে রেজিস্ট্রেশনের জন্য নির্দিষ্ট সময় ধার্য করা হয়েছিল। ২০২৫-এর ডিসেম্বরে স্কুলগুলিকে আর্থিক জরিমানা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল পর্ষদ। প্রতি পড়ুয়ার জন্য ৫,০০০ টাকা দিতে হয়েছিল। তা নিয়ে বিস্তর প্রতিবাদ জানিয়ে প্রধান শিক্ষকদের সংগঠন রাজ্য সরকারকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানায়। সেই সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন, এই বিষয়ে শিক্ষা দপ্তর হস্তক্ষেপ করবে না।
