ভোট পরবর্তী হিংসায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করা মামলায় একাধিক নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের। এই মামলার প্রেক্ষিতে তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে হলফনামা তলব প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের বেঞ্চের। ভোট পরবর্তী হিংসায় কেউ বাড়ি বা দোকান থেকে উচ্ছেদ হয়ে থাকলে তা ফিরিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, “৯২ বছরের বৃদ্ধ, ১৮ বছরের দম্পতিকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। তফসিলি জাতি, সংখ্যালঘুদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” এমনকী তাঁকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে থানা পর্যন্ত যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী।
ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। ছাব্বিশের নির্বাচনী যুদ্ধে উত্তরপাড়া কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করেন শীর্ষণ্য। তাঁর দায়ের করা মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে। সেই মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই শামলা (আইনজীবীর পোশাক) পরে কলকাতা হাই কোর্টে পৌঁছন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত মামলায় সওয়াল করেন তিনি।
সওয়াল করতে গিয়ে প্রথমেই প্রধান বিচারপতির কাছে অনুমতি চেয়ে বলেন, “আমি ১৯৮৫ সাল থেকে আইনজীবী। এবং সেই হিসাবেই আমি সওয়াল করতে চাই।” এরপরেই একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা আরও বলেন, “এটা বুলডোজার রাজ্য নয়। বাংলার মানুষকে বাঁচান। এটা বাংলা, উত্তরপ্রদেশ নয়।” তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, “৯২ বছরের বৃদ্ধ, ১৮ বছরের দম্পতিকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। তফসিলি জাতি, সংখ্যালঘুদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” এমনকী তাঁকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে থানা পর্যন্ত যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী। এ দিন ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তৃণমূলের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও সওয়াল করেন। সেই মামলায় জবাব তলব করেছে হাই কোর্ট।
