ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বেছে বেছে মহিলাদের টার্গেট করা হয়েছে। বিবাহিত মহিলাদের নাম বাদ গিয়েছে ভুল ম্যাপিংয়ের জন্য। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে সরব হয়ে তিনি দাবি করলেন কমিশনের ভুলেই মিস ম্যাচ হয়েছে।
এদিন এসআইআরের ৫৪ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। কমিশন এআই ব্যবহার করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ মমতার। মুখ্যমন্ত্রীর মারাত্মক অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ায় বেছে বেছে মহিলাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিয়ের পর মেয়েদের পদবির পরিবর্তন, ঠিকানা পরিবর্তন হওয়ায় তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বলেন, "৫৪ লক্ষ নাম একতরফা নাম বাদ দেওয়া হল। বেছে বেছে মহিলাদের টার্গেট করা হয়েছে। বিজেপির স্বার্থে ও নিজের পরিবারের স্বার্থে মানুষকে নিয়ে খেলা করছে।"
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প চালু করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথির মতো একাধিক জনপ্রিয় প্রকল্প চালু করেছেন। সেই সব প্রকল্প এই ১৫ বছরে তৃণমূলের মহিলা ভোটকে আরও শক্ত করেছে। বিজেপি কোনও ভাবেই সেই মহিলা ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারেনি বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
উল্লেখ্য, রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মহিলাদের উন্নয়নে একাধিক প্রকল্প চালু করেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজ সাথির মতো একাধিক জনপ্রিয় প্রকল্প চালু করেছেন। সেই সব প্রকল্প এই ১৫ বছরে তৃণমূলের মহিলা ভোটকে আরও নিশ্চিত করেছে। বিজেপি কোনও ভাবেই সেই মহিলা ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাতে পারেনি বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
মহিলা ভোটারের দৌলতে তৃণমূল প্রতিটি নির্বাচনেই 'অ্যাডভান্টেজ' নিয়ে 'ম্যাচ' শুরু করে বলে মনে করে ওয়াকিবহল মহল। তৃণমূলের দাবি, বিজেপিও সেই কথা জানে। তাই বাড়ির মহিলাদের ঘরে বন্ধ করে রাখার নিদান দিতে শোনা যায় বঙ্গ বিজেপি নেতাদের। তৃণমূলের দাবি, এই মন্তব্য গুলিই প্রমাণ করে তাদের রুখতে বিজেপি মহিলা ভোট ব্যাঙ্কের সিঁদ কাটার চেষ্টা করছে। সেই লক্ষ্যেই মহিলাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
এদিন নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রীর আরও শঙ্কা, খসড়া তালিকায় নাম থাকা সত্বেও চূড়ান্ত তালিকা থেকে অনেক মহিলা ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হবে। এছাড়াও মহারাষ্ট্র ও বিহারের ভোটের মতো বাংলার বিধানসভা নির্বাচনেও ঝাড়খণ্ড, বিহার থেকে লোক ঢোকানো হচ্ছে বলে দাবি তুলে এ্দিন সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
